ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
দৈনিক রেলওয়ে বার্তা
চার ডিজি বদল, অন্ধকারেই রেলওয়ে কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন-

চার ডিজি বদল, অন্ধকারেই রেলওয়ে কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন-

বাংলাদেশ রেলওয়েতে গত চার বছরে চারজন মহাপরিচালক পরিবর্তন হলেও অদৃশ্য কারণে এখনো সংশোধন হয়নি রেলওয়ে ক্যাডার বহির্ভূত কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা–২০২০। দীর্ঘ এই অনিশ্চয়তা ও গোপনীয়তা রেলওয়ের নিয়োগ ব্যবস্থাকে এক গভীর প্রশাসনিক ও আইনি সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মনির এই পরিস্থিতিতে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন ইচ্ছাকৃতভাবে ঝুলিয়ে রেখে অবৈধ ও প্রশ্নবিদ্ধ নিয়োগকে বৈধতা দেওয়ার পথ তৈরি করা হচ্ছে।বর্তমান মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় এক বছর পার করলেও তার মেয়াদে নিয়োগ বিধিমালা–২০২০ সংশোধন ও অনুমোদন আদৌ সম্ভব হবে কি না—তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন তিনি।আন্দোলনের মুখে কমিটি, চার বছরেও ফল নেইঃনিয়োগ বিধিমালা–২০২০ নীতিগতভাবে প্রত্যাখ্যান করে রেলওয়ের সকল ট্রেড ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির আন্দোলন-সংগ্রামের মুখে ২০২১ সালের ২৭ ডিসেম্বর মহাপরিচালককে আহ্বায়ক করে ১৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির দায়িত্ব ছিল বিধিমালা হালনাগাদ ও সংশোধন করা।কিন্তু চার বছর পার হলেও কমিটি কোনো সংশোধন চূড়ান্ত করতে পারেনি। অভিযোগ রয়েছে, সংশোধন ছাড়াই তথাকথিত ‘গায়েবী বিধিমালা’র ভিত্তিতে অবৈধভাবে জনবল নিয়োগ কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। এমনকি কমিটির সদস্যরা কখনো একসঙ্গে বসে সংশোধন নিয়ে আলোচনা করেছেন কি না—তা নিয়েও সংশয় রয়েছে।চার মহাপরিচালক, একই পরিণতিঃএই সময়ে মো. শামসুজ্জামান, ডিএন মজুমদার ও মো. কামরুল আহসান তাদের মেয়াদকালে নিয়োগ বিধিমালা সংশোধনে ব্যর্থ হন। সর্বশেষ মহাপরিচালক সরদার সাহাদাত আলী সংশোধন করলেও অদৃশ্য কারণে তা অনুমোদন করাতে পারেননি।বর্তমান মহাপরিচালক আফজাল হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের এক বছর পূর্ণ করলেও এখনো সংশোধন ও অনুমোদনের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। এতে প্রভাবশালী দুর্নীতিবাজ চক্রের প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন জোরালো হচ্ছে।৬ হাজার নিয়োগ, দক্ষতা সংকটঃপোষ্য সোসাইটির দাবি অনুযায়ী, নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন ঝুলিয়ে রেখে গত চার বছরে প্রায় ৬ হাজার জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ জনবল চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। ফলে ট্রেন পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ, সিগন্যাল ব্যবস্থা, কোচের যান্ত্রিক ও বৈদ্যুতিক কাজসহ রেলওয়ের সকল বিভাগে দক্ষ জনবলের মারাত্মক সংকট তৈরি হয়েছে।মো. মনিরুজ্জামান মনির বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ে একটি বিশেষায়িত কারিগরি পরিবহন সংস্থা। এখানে সাধারণ প্রশাসনিক কাঠামো প্রয়োগ করলে রেলওয়ের অস্তিত্বই ঝুঁকিতে পড়বে।পোষ্যদের অধিকার বঞ্চনা ও ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ঃনিয়োগ বিধিমালা–২০২০ এর মাধ্যমে চাকরি পাওয়ার আগেই অর্ধেক প্রশিক্ষিত রেলওয়ে শ্রমিক-কর্মচারীর সন্তানদের কৌশলে চাকরির অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে যুক্ত শর্ত—“নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারের বিদ্যমান বিধি-বিধান ও পরবর্তীতে সংশোধিত বিধি-বিধান অনুসরণযোগ্য হবে”—কে তিনি ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তার মতে, ভবিষ্যতে বিধিমালা সংশোধন হলেও বর্তমানে বঞ্চিতদের জন্য আর আবেদন করার সুযোগ বাস্তবে থাকবে না।নির্বাচন সামনে, নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে রহস্যঃজাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে, নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন প্রক্রিয়া ও হাইকোর্টের রুল বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও জানুয়ারিতে একাধিক নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে।মো. মনিরুজ্জামান মনির বলেন, “যেখানে নিয়োগ বিধিমালার বৈধতা বিচারাধীন এবং জাতীয় নির্বাচন সামনে, সেখানে এই তাড়াহুড়া প্রক্রিয়াগতভাবে অগ্রহণযোগ্য এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই মনে হচ্ছে।”তিনি দাবি করেন, নির্বাচনকালীন ব্যস্ততা ও নজরদারির ঘাটতিকে কাজে লাগিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হলে তা বড় আইনি সংকট ও জনআস্থার মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনবেচার বছর ধরে নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন না করে নিয়োগ কার্যক্রম চালু রাখা এবং নির্বাচন সামনে রেখে নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন—এই দুই বিষয় মিলিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে এখন গভীর প্রশাসনিক, আইনি ও নৈতিক সংকটের মুখোমুখি। প্রশ্ন উঠছে—নিয়োগ বিধিমালা কি আদৌ আলোর মুখ দেখবে, নাকি রেলওয়ের নিয়োগ ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই অন্ধকারেই রয়ে যাবে?
১১ ঘন্টা আগে

ওয়াশিং প্ল্যান্ট প্রকল্প নিয়ে অভিযোগ তথ্যনির্ভর নয়: রেলওয়ে কর্মকর্তাদের দাবি

ওয়াশিং প্ল্যান্ট প্রকল্প নিয়ে অভিযোগ তথ্যনির্ভর নয়: রেলওয়ে কর্মকর্তাদের দাবি

সংলাপ ও সাংবাদিক সম্মেলন স্থগিত ঘোষণা

সংলাপ ও সাংবাদিক সম্মেলন স্থগিত ঘোষণা

রেলওয়ের টেম্পিং কার্যক্রম নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও তথ্যভিত্তিহীন

রেলওয়ের টেম্পিং কার্যক্রম নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও তথ্যভিত্তিহীন

লোকোমোটিভ রক্ষণাবেক্ষণ কর্মী পর্যায়ে প্রথম বৈদেশিক প্রশিক্ষণ

লোকোমোটিভ রক্ষণাবেক্ষণ কর্মী পর্যায়ে প্রথম বৈদেশিক প্রশিক্ষণ

ICCEI সম্মেলনে কী–নোট বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখলেন  রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন

ICCEI সম্মেলনে কী–নোট বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখলেন রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন

রেল শ্রমিকদলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শহীদ জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা

রেল শ্রমিকদলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শহীদ জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা

বালাস্ট নয়, অপপ্রচার—বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রকৌশলকে প্রশ্নবিদ্ধ করার ষড়যন্ত্র

বালাস্ট নয়, অপপ্রচার—বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রকৌশলকে প্রশ্নবিদ্ধ করার ষড়যন্ত্র

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির শোক

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির শোক

ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ: আরএনবি ইনচার্জ ইমরানের তীব্র প্রতিবাদ”

ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ: আরএনবি ইনচার্জ ইমরানের তীব্র প্রতিবাদ”

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশ রেলওয়ের ৪৫তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশ রেলওয়ের ৪৫তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

চার ডিজি বদল, অন্ধকারেই রেলওয়ে কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন-

চার ডিজি বদল, অন্ধকারেই রেলওয়ে কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন-

খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও খাবার বিতরণ

খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও খাবার বিতরণ

চট্টগ্রাম সিআরবি দপ্তরে রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির কঠোর কর্মসূচি ২১ জানুয়ারি

চট্টগ্রাম সিআরবি দপ্তরে রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির কঠোর কর্মসূচি ২১ জানুয়ারি

দৈনিক সকালের সময়-এর এক দশক পূর্তি উপলক্ষে শুভেচ্ছা বক্তব্য

দৈনিক সকালের সময়-এর এক দশক পূর্তি উপলক্ষে শুভেচ্ছা বক্তব্য

শৈত্যপ্রবাহ থাকবে আরও কয়েকদিন

শৈত্যপ্রবাহ থাকবে আরও কয়েকদিন

ইরানের বিক্ষুব্ধ জনতাকে নির্দেশনা দিলেন নির্বাসিত ক্রাউন প্রিন্স পাহলভি

ইরানের বিক্ষুব্ধ জনতাকে নির্দেশনা দিলেন নির্বাসিত ক্রাউন প্রিন্স পাহলভি

রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দিতে শুরু করেছে ভেনেজুয়েলা

রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দিতে শুরু করেছে ভেনেজুয়েলা

ইসিতে চলছে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে শেষ দিনের আপিল

ইসিতে চলছে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে শেষ দিনের আপিল

মধ্যপাড়া পাথর খনি পরিদর্শনে উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান

মধ্যপাড়া পাথর খনি পরিদর্শনে উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান

এক সপ্তাহে ব্রয়লারের দাম বাড়ল ২০ টাকা, মাঝারি ইলিশ ১৫০০

এক সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে। একই সঙ্গে লেয়ার, সোনালীসহ অন্যান্য মুরগির দামও আগের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। এছাড়া মাছ-মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে, বাজারে আগের তুলনায় ইলিশ মাছের পরিমাণ বেড়েছে। এর মধ্যে মাঝারি আকারের ইলিশ মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ টাকায়।শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) রাজধানীর নিউমার্কেটের বনলতা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৭০ টাকা। সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকার মধ্যে, দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকায়, আর লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকায়। বাজারে দাম বাড়ার মূল কারণ হিসেবে বিক্রেতারা ফিডের দাম ও খামার পর্যায়ের অন্যান্য খরচ বৃদ্ধিকে দায়ী করছেন।মুরগি বিক্রেতা আজাদ মিয়া বলেন, শুনেছি গত এক সপ্তাহে ফিডের দাম অনেক বেড়ে গেছে। আগে আমরা কেজি প্রতি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকায় বিক্রি করতাম, এখন সেটি ১৯০ টাকা। শুধু ফিডই নয়, খামারে খরচ, শ্রমিকদের মজুরি ও পরিবহন খরচও অনেক বেড়ে গেছে। আমাদের তো কিছু করার নেই। কারণ, আমরা পাইকারি মার্কেট থেকে মুরগি কিনি। সেখানেই দাম বাড়তি। যার প্রভাব খুচরা বাজারে পড়েছে। হাসান উদ্দিন নামের অন্য আরেক বিক্রেতা বলেন, সোনালী ও দেশি মুরগির দাম বেশি থাকায় অনেকে ব্রয়লার মুরগি কিনতে আসেন। এখন সেটার দাম কিছুটা বেড়েছে। আমরা চাইলেই দাম কমাতে পারি না। কারণ, পাইকারিতে চড়া দামে বিক্রি করে। তবে সম্প্রতি যদি বাজারে সরবরাহ বাড়ে তবে দামও স্থিতিশীল হবে এবং সাধারণ মানুষও সুবিধা পাবেন।অন্যদিকে, মাছের বাজারে সবচেয়ে বেশি দৃষ্টি পড়ছে ইলিশে। মাঝারি আকারের ইলিশ কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ টাকায়। বড় আকারের ইলিশের কেজি ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে।বনলতা কাঁচাবাজারের মাছ বিক্রেতা ইব্রাহিম আলী বলেন, ইলিশের সরবরাহ এখন বেড়েছে। তবে জ্বালানি ও পরিবহন খরচ বেশি হওয়ার সুবাদে দাম কমছে না। মাঝারি ইলিশের চাহিদা অনেক বেশি। কেউ নিতে চাইলে কম-বেশি দরদামে দিয়ে দিচ্ছি।তবে ইলিশ ছাড়াও অন্যান্য মাছের দামও চড়া। রুই, কাতল ও মৃগেল আকার ও মানভেদে কেজিতে ৩০০ থেকে ৭৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। পাঙ্গাস ও তেলাপিয়ার মতো তুলনামূলক কম দামের মাছও ১৯০-২৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া, মাগুর ৫০০ টাকা, চাষের কৈ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, সিলকার্প মাছ ২৫০-৩০০ টাকা, বোয়াল মাছ ৫০০-৭০০ টাকা, কালিবাউশ মাছ ৪৫০ টাকা, আইড় মাছ ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর ছোট মাছের মধ্যে কাঁচকি মাছ ৪৫০ টাকা, মলা মাছ ৩০০ টাকা, পাবদা মাছ আকারভেদে ৩০০-৬০০ টাকা এবং গলদা চিংড়ি আকারভেদে ৬৫০-১০০০ টাকা কেজি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এক সপ্তাহে ব্রয়লারের দাম বাড়ল ২০ টাকা, মাঝারি ইলিশ ১৫০০
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন