ঢাকা   শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক রেলওয়ে বার্তা

আর্কাইভ দেখুন

আজিমপুর সরকারি কোয়ার্টারের অপরিচ্ছন্নতায় ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, সময় দিলেন ২ সপ্তাহ

আজিমপুর সরকারি কোয়ার্টারের অপরিচ্ছন্নতায় ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, সময় দিলেন ২ সপ্তাহ

রাজধানীর আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টারের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পুরো এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দুই সপ্তাহের সময় বেঁধে দিয়েছেন তিনি।শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টার আকস্মিক পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন।পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী কোয়ার্টারের এলাকা, চলাচলের পথ ও সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন। এ সময় পরিচ্ছন্নতার ঘাটতি দেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এর কারণ জানতে চান। কোয়ার্টারের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কোয়ার্টারের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।এ সময় কোয়ার্টারের বাসিন্দারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে এলাকার অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। তারা আবাসিক এলাকার পরিবেশ উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানান।প্রধানমন্ত্রী বাসিন্দাদের অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সমস্যাগুলো সমাধানের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেন।পরিদর্শনের একপর্যায়ে কোয়ার্টারে বসবাসরত শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।


কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনের ঘটনায় ইনচার্জ আটক

কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনের ঘটনায় ইনচার্জ আটক

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের ইনানী পাটুয়ারটেক এলাকায় টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রিসোর্টটির ইনচার্জ মোহাম্মদ সুমনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান মজুমদার। তিনি জানান, আটক সুমনকে থানায় নেওয়া হয়েছে। তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।এর আগে শনিবার সকালে রিসোর্টটিতে আগুন লাগার ঘটনায় একই পরিবারের ছয়জনসহ মোট ১০ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত অবস্থায় আরও ছয়জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।এদিকে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে রিসোর্টের মালিক নিয়াজ মোরশেদ ও তানভীরের খোঁজ পাওয়া যায়নি।


বৈধ বিদেশি কর্মীর সংখ্যা জানাল মালয়েশিয়া

বৈধ বিদেশি কর্মীর সংখ্যা জানাল মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ায় বৈধভাবে কর্মরত বিদেশি কর্মীদের মধ্যে মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭৫৮ জন। চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশটির অভিবাসন বিভাগের (জেআইএম) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বৈধ অস্থায়ী কর্মানুমতিধারী বিদেশি কর্মীদের উৎসদেশের তালিকায় মিয়ানমারের অবস্থান চতুর্থ।মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (কেডিএন) অধীন অভিবাসন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বর্তমানে বৈধ অস্থায়ী কর্মানুমতি (পিএলকেএস) নিয়ে কাজ করছেন ২০ লাখ ৭৯ হাজার ৮৫৯ জন বিদেশি নাগরিক। তাঁদের মধ্যে মিয়ানমারের নাগরিকের হার ৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ।বিদেশি কর্মীদের ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করতে নিবন্ধন, কর্মানুমতির শর্ত প্রতিপালন এবং অভিবাসন আইন বাস্তবায়নে নজরদারি জোরদার করেছে মালয়েশিয়া সরকার।দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুতিওন ইসমাইল বলেছেন, বৈধ কর্মানুমতিধারী বিদেশি কর্মীদের সঙ্গে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারীদের পৃথকভাবে বিবেচনা করতে হবে।মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদেশি কর্মীদের উপস্থিতি ও কর্মানুমতির তথ্য যথাযথভাবে নথিভুক্ত করা এবং নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী তাঁদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা সুশৃঙ্খল অভিবাসন ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।এ লক্ষ্যে তথ্যনির্ভর নজরদারি, আইন মেনে চলা নিশ্চিত করা এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে অভিবাসন বিভাগ। এসব কার্যক্রমের আওতায় বৈধ কর্মীদের তথ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের ঘটনাও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মাদানি সরকারের অঙ্গীকার অনুযায়ী বিদেশি কর্মীদের ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও সততা নিশ্চিত করার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। এর মাধ্যমে জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা এবং মালয়েশিয়ার নাগরিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।


মাদকের আস্তানায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অভিযান, ধরলেন ৬ জনকে

মাদকের আস্তানায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অভিযান, ধরলেন ৬ জনকে

গেন্ডারিয়া রেললাইন সংলগ্ন চিহ্নিত মাদকের আস্তানায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে মাদক বিক্রেতাদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। এ সংক্রান্ত দুটি ভিডিও নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেছেন তিনি। ভিডিওতে প্রতিমন্ত্রীর হাতে পিস্তল দেখা গেছে। তবে, পিস্তলের কিছু অংশ ভিডিওতে ঝাপসা করে দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) ঢাকা-৬ আসনের গেন্ডারিয়া থানার ৪৫ নাম্বার ওয়ার্ডের রেললাইন সংলগ্ন একটি বস্তিতে মাদকের আস্তানায় আকস্মিক অভিযান চালান প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। এ সময় মাদক কারবারে জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে আটক করা হয়। প্রকাশিত ভিডিওতে বলা হয়, গেন্ডারিয়া রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় মাদক আস্তানা গুড়িয়ে বিক্রেতাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। অপর একটি ভিডিওতে বেশ কয়েকজনকে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে পুলিশকে নিয়ে যেতে দেখা গেছে।ভিডিওতে প্রতিমন্ত্রীর হাতে থাকা পিস্তলটির কিছু অংশ ব্লার করা থাকলেও সেটি কী ধরনের অস্ত্র, তা ভিডিও থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিযানের সময় তার হাতে অস্ত্রটি থাকার কারণ এবং সেটি ব্যবহারের কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। পরে ইশরাকের মিডিয়া সেলের পক্ষে পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়, রাজধানীর ঢাকা-৬ আসনকে মাদকমুক্ত না করা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন।তিনি বলেছেন, মাদক কারবারিরা যে দলেরই হোক, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। এমনকি তার নিজের দলের কেউ মাদক কারবারে জড়িত থাকলে তার শাস্তি আরও বড় হবে।অভিযানকালে এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে ইশরাক হোসেন বলেন, এলাকায় যারা মাদক বিক্রি করে, তাদের স্থান আমার এই ঢাকা-৬ আসনে নাই। স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে সরকার পতন করেছি। আর এই মাদক কারবারিদের কোনো টাইম আছে? এই এলাকায় যত বড় মাদক কারবারি হোক না কেন, তারা যে দলেরই হোক না কেন, যদি আমার দলের হয়, তাহলে তাদের শাস্তি আরও বড় হবে।মাদকাসক্তির কারণে তরুণ সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই মাদকের কারণে আমাদের তরুণ সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। গত ছয় মাস ধরে গোয়েন্দা দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছি। যারা বাইরে থেকে এসে মাদক দিয়ে যায়, তাদের আটক করতে পারবে—এমন ব্যক্তিদের আমার মাথায় করে রাখব। আমার এই এলাকা থেকে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। সারা বাংলাদেশ অভিযান চলবে,বাংলাদেশে কোথাও মাদকের জায়গা হবে না।অভিযানের সময় আটক ব্যক্তিরা ছেড়ে দেওয়ার জন্য হাতজোড় করলে তাদের আশ্বস্ত করেন ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, তোমাদের গায়ে কেউ হাত দেবে না, তোমাদের কেউ কিছু করবে না। তোমরা থানায় যাবা, পুলিশ তোমাদের ব্যবস্থা নেবে। তোমাদের মারার জন্য আমরা আসি নাই। এই দেশ আইনের মাধ্যমে চলবে। তাদের বিচার হবে, বিচারের মাধ্যমে তাদের শাস্তি হবে। এর আগেও ঢাকা-৬ আসনের বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। আসনটিকে মাদকমুক্ত করতে এ অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি এলাকাবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।এ বিষয়ে গেন্ডারিয়া থানার ওসি মনিরুজ্জামান মনির বলেন, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ছয়জনকে আটক করে থানায় ফোন দেন। পরে থানা থেকে পুলিশ সদস্যরা গিয়ে তাদের নিয়ে আসেন।ওসি বলেন, আটক ব্যক্তিদের কাছে সাদা পাউডারজাতীয় পদার্থ পাওয়া গেছে। সেগুলো হেরোইন কিনা, তা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।


বেদখল হওয়া সরকারি ভূমি উদ্ধারে তৎপর হওয়ার নির্দেশ

বেদখল হওয়া সরকারি ভূমি উদ্ধারে তৎপর হওয়ার নির্দেশ

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বেদখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাগুলোকে তৎপর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং পরিত্যক্ত সম্পত্তির ডেটাবেজ ও রেজিস্টার তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এছাড়া সরকারি জমির নামজারি ও রেকর্ড হালনাগাদ, শূন্য পদে নিয়োগ ও পদোন্নতি, অডিট আপত্তি নিষ্পত্তি এবং উন্নয়ন প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করার বিষয়েও একাধিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে গত ২৯ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত মাসিক সমন্বয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।পাশাপাশি সরকারি সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক কার্যক্রম, অডিট আপত্তি, মামলা নিষ্পত্তি এবং দাপ্তরিক কাজে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। সভার কার্যবিবরণী এসব তথ্য জানা গেছে।সভায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অব্যবহৃত জমি উদ্ধারের বাস্তবায়ন অগ্রগতি উপস্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়, সরকারি ভূমি উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট সবাইকে তৎপর হতে হবে এবং কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অব্যবহৃত জমির তথ্য ছক আকারে পরবর্তী সমন্বয় সভায় দাখিল করতে হবে। একই সঙ্গে অবৈধ দখলে থাকা জমি উদ্ধারে উচ্ছেদ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থাকে।সভায় নিষ্কণ্টক জমির গেজেট প্রকাশ, পরিত্যক্ত সম্পত্তির ডেটাবেজ তৈরি এবং অ্যাসেট রেজিস্টার (সম্পদ নিবন্ধন) প্রস্তুতের বিষয়েও আলোচনা হয়। সিদ্ধান্ত হয়, মন্ত্রণালয়ের পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা অধিশাখার তত্ত্বাবধানে পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা বোর্ড ও গণপূর্ত অধিদপ্তর পরিত্যক্ত সম্পত্তির ডেটাবেজ ও রেজিস্টার তৈরি করা হবে।এছাড়া পরিত্যক্ত সম্পত্তির ডেটাবেজ তৈরির লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) শাখার উদ্যোগে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সভা আহ্বান করতে হবে। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা অধিশাখা, গণপূর্ত অধিদপ্তর, পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা বোর্ড এবং সিস্টেম অ্যানালিস্টকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।মাঠপর্যায়ে উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং কাজের গতিশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সব দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের নিয়মিত মাঠপর্যায়ের প্রকল্প পরিদর্শন করতে হবে। পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রকল্পের সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে প্রতিবেদন তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রকল্প পরিদর্শনের প্রতিবেদনের একটি অনুলিপি মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থাকে। পাশাপাশি পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অধিশাখা-২-এর যুগ্ম সচিব এ বিষয়ে দায়িত্ব পালন করবেন।মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার শূন্য পদ পূরণে গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে সভাকে অবহিত করেন সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার প্রধানরা। শূন্য পদ পূরণে ভবিষ্যতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, তা নিয়েও আলোচনা হয়।সভায় সিদ্ধান্ত হয়, সব শূন্য পদে নিয়োগ ও পদোন্নতির কার্যক্রম দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। শূন্য পদ পূরণের লক্ষ্যে কোন দপ্তর, সংস্থা বা কর্তৃপক্ষ কতটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে, সে বিষয়ে পরবর্তী সভায় তথ্য উপস্থাপন করতে হবে। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব দপ্তর ও সংস্থাকে।গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব দপ্তর ও সংস্থার জমির গেজেট প্রকাশ, দখল এবং নামজারির বিষয়ে সভায় সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার প্রধানেরা অগ্রগতি তুলে ধরেন।এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব দপ্তর ও সংস্থাকে তাদের মালিকানাধীন জমির নামজারি ও রেকর্ড দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী মাসে নামজারি ও রেকর্ড সম্পন্ন হওয়া জমির পরিমাণ উল্লেখ করে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ছক অনুসরণ করে এ প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব দপ্তর ও সংস্থাকে।বর্তমান সরকারের ১৮০ দিনের ও পরবর্তী এক বছরের কর্মসূচির আওতায় অডিট আপত্তি নিষ্পত্তির কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়। এ ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ অডিট আপত্তি নিষ্পত্তির কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ এবং দপ্তর ও সংস্থা থেকে পাওয়া জবাব সন্তোষজনক হলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে সাত দিনের মধ্যে তা পাঠানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।সভায় সিদ্ধান্ত হয়, অডিট বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে উত্থাপিত অডিট আপত্তির সংখ্যা এবং ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত উত্থাপিত অডিট আপত্তির সংখ্যা সেপ্টেম্বর মাসের সমন্বয় সভায় উপস্থাপন করতে হবে।অডিট আপত্তি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আগামী তিন মাসে কমপক্ষে নয়টি ত্রিপক্ষীয় সভা আহ্বান করতে হবে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা পরিদপ্তরকে অভ্যন্তরীণ অডিটের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে হবে।পরবর্তী মাসের মাসিক সমন্বয় সভায় পূর্ত অডিট অধিদপ্তরের একজন প্রতিনিধিকে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অডিট অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব, অডিট শাখা-১ ও ২-এর উপসচিব ও সহকারী সচিব এবং অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা পরিদপ্তরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।সভায় মামলা-সংক্রান্ত কার্যক্রমের বাস্তবায়ন অগ্রগতি উপস্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়, অনিষ্পন্ন মামলাগুলোর তথ্য প্রতি মাসের সমন্বয় সভায় নির্ধারিত ছক অনুযায়ী দিতে হবে।রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) নকশা অনুমোদন প্রক্রিয়া শতভাগ অনলাইনে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আবেদন পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে নকশা অনুমোদন নিশ্চিত করতে হবে।এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি মাসের সমন্বয় সভায় কতটি আবেদন পাওয়া গেছে এবং কতটি আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে, তার সুনির্দিষ্ট প্রমাণকসহ তথ্য উপস্থাপন করতে হবে।এ ছাড়া মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন সব দপ্তর ও সংস্থার ওয়েবপোর্টাল নিয়মিত হালনাগাদ ও সময়োপযোগী রাখতে হবে। মন্ত্রণালয় এবং আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোর সব সেবা পর্যায়ক্রমে ই-সেবা বা ডিজিটাল সেবায় রূপান্তর করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রশাসন-১ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব, সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার প্রধান এবং আইসিটি শাখার সিস্টেম অ্যানালিস্টকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।সভায় ই-টেন্ডারিংয়ের বাস্তবায়ন অগ্রগতি উপস্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়, নতুন সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর), ২০২৫ যথাযথভাবে অনুসরণ করে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব দপ্তর ও সংস্থাকে ক্রয় কার্যক্রম সম্পাদন করতে হবে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি যথাসময়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানোর বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়।সভায় সিদ্ধান্ত হয়, মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদন নিয়মিত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো অব্যাহত রাখতে হবে। এ ছাড়া গত ছয় মাসে মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত কোনো সিদ্ধান্ত অনিষ্পন্ন রয়েছে কি না, সে বিষয়ে পরবর্তী সমন্বয় সভায় তথ্য উপস্থাপন করতে হবে।সভায় ডি-নথির বাস্তবায়ন অগ্রগতি উপস্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়ের সব শাখা এবং নিয়ন্ত্রণাধীন সব দপ্তর ও সংস্থাকে কমপক্ষে ৮০ শতাংশ ডাক ডি-নথির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে।ডি-নথিতে নথি নিষ্পত্তির কার্যক্রম বাড়ানোর জন্য শাখা কর্মকর্তাদের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অফিস ব্যবস্থাপনা ও শৃঙ্খলা বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানেরা সভাকে অবহিত করেন।এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়, ছয় মাস ও ১২ মাস মেয়াদি বিভাগীয় মামলাগুলোর তথ্য সেপ্টেম্বর মাসের সমন্বয় সভায় উপস্থাপন করতে হবে। একই সঙ্গে ১২ মাসের বেশি সময় ধরে অনিষ্পন্ন বিভাগীয় মামলাগুলো পরবর্তী সমন্বয় সভার আগে নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, দাপ্তরিক দৈনন্দিন কাজে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়।সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থার সব কর্মকর্তাকে দাপ্তরিক কাজে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল হতে হবে। পাশাপাশি অধীনস্থ কর্মচারীদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিতে হবে।দপ্তর ও সংস্থাগুলোকে নিজ নিজ কার্যালয়ে গত তিন মাসে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে। ওই প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ ইউনিট উল্লেখ করে পরবর্তী সমন্বয় সভায় উপস্থাপন করতে হবে।এছাড়া সাধারণ শৌচাগার, সম্মেলনকক্ষ এবং অন্যান্য সাধারণ স্থানে ফ্যান, বাতি ও শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব স্থানে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য সহায়ক কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে হবে।দাপ্তরিক কাজে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করার লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব দপ্তর, সংস্থা ও কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এ লক্ষ্যে প্রতিটি দপ্তর, সংস্থা ও কর্তৃপক্ষকে একজন ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা মনোনয়ন দিতে হবে। ওই কর্মকর্তার মাধ্যমে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ ও সমন্বয় করা হবে, সভায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব ওবায়দুর রহমান বলেন, এসব সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।


বিমানবন্দরে লাগেজের গতিবিধি এবার যাত্রীদের চোখের সামনে

বিমানবন্দরে লাগেজের গতিবিধি এবার যাত্রীদের চোখের সামনে

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, লাগেজের নিরাপত্তা জোরদার এবং লাগেজ হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। এ উদ্যোগের আওতায় বিমানবন্দরের ৮টি লাগেজ বেল্ট এলাকায় ৩২টি সিসিটিভি ক্যামেরা এবং ৬৫ ইঞ্চি আকারের ১৮টি মনিটর স্থাপন করা হয়েছে। নতুন এ ব্যবস্থার মাধ্যমে যাত্রীরা লাগেজ হ্যান্ডলিং কার্যক্রমের বিভিন্ন ধাপ সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।  উড়োজাহাজ থেকে লাগেজ নামানো, নির্ধারিত স্থানে পরিবহন, বাছাই এবং লাগেজ বেল্টে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ার দৃশ্য স্থাপিত মনিটরে সরাসরি (লাইভ) দেখার সুযোগ পাবেন। ফলে যাত্রীরা তাদের লাগেজ পরিবহনের কার্যক্রম সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা লাভ করবেন এবং লাগেজ সংগ্রহের প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সম্পর্কে অবগত থাকতে পারবেন। এ উদ্যোগের মাধ্যমে লাগেজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও জবাবদিহি আরও বৃদ্ধি পাবে।বেবিচক যাত্রীদের স্বার্থ সুরক্ষা, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিশেষ করে প্রবাসীসহ দেশি-বিদেশি সব যাত্রী যেন ভ্রমণ শেষে নির্বিঘ্নে ও নিশ্চিন্তে তাদের লাগেজ সংগ্রহ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রযুক্তিনির্ভর ও যাত্রীবান্ধব সেবার সম্প্রসারণে বেবিচকের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ উদ্যোগ দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।


অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দাবি এনসিপির

অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দাবি এনসিপির

অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে এনসিপির কার্যালয়ে জুলাই সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই তিন দাবি জানানো হয়।সংবাদ সম্মেলনে তিনটি দাবি জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি বিলুপ্ত করে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে। একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটিতে এনসিপি যাবে না। এ নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান।’এতে উপস্থিত ছিলেন– এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য এবং যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য সালেহ উদ্দিন সিফাত, যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন ও যুগ্ম সদস্যসচিব ফরিদুল হক।


গাজীপুরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় আগুন

গাজীপুরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় আগুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ইবনেসিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় আগুন লেগেছে। নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে জেলার কালিয়াকৈর উপজেলা সফিপুরে অবস্থিত ইবনেসিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের হারবাল সেকশনে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেন রায়হান চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, শনিবার বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে ইবনেসিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের ওই কারখানার একটি ভবনে আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের তিন ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে কাজ শুরু করেছে। তিনি আরও বলেন, এখনো আগুন লাগার কারণ ও কোনো হতাহতের খবর জানা যায়নি৷ 


শিশু হাসপাতালে চিকিৎসকের কক্ষে ধূমপান, বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

শিশু হাসপাতালে চিকিৎসকের কক্ষে ধূমপান, বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট আকস্মিক পরিদর্শনকালে এক চিকিৎসককে নিজ কক্ষে ধূমপান করতে দেখে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ওই চিকিৎসকের কক্ষও অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় দেখতে পান তিনি। এই ঘটনায় ওই চিকিৎসককে তাৎক্ষণিক বরখাস্তের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে শিশু হাসপাতাল পরিদর্শনে যান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখার পাশাপাশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মপরিবেশ এবং হাসপাতালের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।পরিদর্শনের একপর্যায়ে হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের কক্ষে গিয়ে তাকে ধূমপান করতে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় ওই চিকিৎসকের কক্ষও অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় ছিল। হাসপাতালের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসকের এমন আচরণ ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।এ ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালের পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হককে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর চিকিৎসক রফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।এ সময় হাসপাতালে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখা, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।


‘পেনশন নিয়ে বাড়ি ফেরা হবে না’— পুলিশ কর্মকর্তাকে ছাত্রলীগ নেতা

‘পেনশন নিয়ে বাড়ি ফেরা হবে না’— পুলিশ কর্মকর্তাকে ছাত্রলীগ নেতা

এক পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্য করে হবিগঞ্জের মাধবপুরের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতার দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। স্ট্যাটাসে পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্য করে তিনি লিখেছেন- ‘পেনশন নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন না।’শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্টটি দেন মাধবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক আতাউস সামাদ বাবু।পোস্টে তিনি দাবি করেন, তাকে গ্রেফতারের জন্য মাধবপুর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) দেলোয়ার হোসেন তার বাড়িতে গিয়েছিলেন। তবে ওই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। একই স্ট্যাটাসে ছাত্রলীগ নেতা সিরাজের গ্রেফতারের বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি।স্ট্যাটাসে আতাউস সামাদ বাবু লেখেন, দেলোয়ার সাহেবদের নাম-ঠিকানা আমরা রাখছি, কারণ তারাও পেনশন নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।’ তার এ বক্তব্য ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে।তবে বাবুর অভিযোগ নাকচ করেছেন এএসআই দেলোয়ার হোসেন। তার দাবি, ফেসবুকে তাকে নিয়ে ভিত্তিহীন বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, মাদকের একটি মামলার তদন্তের কাজে বাবুর গ্রামের পাশে গিয়েছিলেন তিনি। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ফেসবুকে লেখালেখি করা হয়েছে।দেলোয়ার হোসেন আরও বলেন, স্বীয় দায়িত্ব ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার বাইরে ব্যক্তিগতভাবে আমাদের কিছু করার সুযোগ নেই।এ বিষয়ে মাধবপুর থানার ওসি সোহেল রানা বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে দেখব।জানা গেছে, এএসআই দেলোয়ার হোসেন মাধবপুর থানার অধীন কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত। ওয়ারেন্ট তামিলে ভালো কাজের জন্য তিনি হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারের কাছ থেকে পুরস্কার পেয়েছেন বলেও জানা গেছে।অন্যদিকে, আতাউস সামাদ বাবু মাধবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ছিলেন। এর আগে তিনি চৌমুহনী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবেও তার নাম আলোচনায় এসেছিল।


সংবিধান সব ধর্মাবলম্বীর নিরাপত্তা দিতে বাধ্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবিধান সব ধর্মাবলম্বীর নিরাপত্তা দিতে বাধ্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রাখতে হবে, এমন আলোচনা উঠে—এটি জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক। সংবিধান সব ধর্মাবলম্বীর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাধ্য। অতীতে অনেকেই হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা নিয়েছেন।শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর বনানী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। সবাই সমান অধিকারের অধিকারী। সংবিধানে সব ধর্মের মানুষের স্বাধীনভাবে ধর্মচর্চা, আচার-অনুষ্ঠান পালন ও উপাসনালয় প্রতিষ্ঠার অধিকার দেওয়া হয়েছে। ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য করা যাবে না। তারপরও কেন পূজার সময় নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষভাবে কথা বলতে হয়, তা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক।’তিনি জানান, পৃথিবীর সব দেশেই কোনো না কোনো ধর্মের মানুষ সংখ্যাগরিষ্ঠ। তবে সব দেশেই কমবেশি বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ বসবাস করেন। নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার স্বীকৃত। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবেও প্রত্যেকের সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষিত থাকা উচিত।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘অতীতে আপনাদের ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা অনেকেই লুটেছেন। আমরা সেই প্রসঙ্গে যাব না। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে আপনারা নিজেরাই বিচার করবেন, কোন সময়ে আপনাদের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষিত থাকে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কারও ভোটব্যাংক হওয়ার প্রয়োজন নেই।’তিনি আরও বলেন, সব ধর্মের মানুষের নিজস্ব বিশ্বাস, রীতিনীতি ও আচার-অনুষ্ঠান রয়েছে। এগুলো মানুষের হৃদয়ের কাছাকাছি। তাই প্রত্যেক ধর্মাবলম্বীর উচিত অন্য ধর্মের বিশ্বাস ও ধর্মীয় আচারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামী বছরগুলোতেও দুর্গাপূজাসহ সব ধর্মীয় উৎসব মানুষ স্বাধীনভাবে ও আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সরকার সব সময় সহযোগিতা করবে।বনানী পূজামণ্ডপের আয়োজনের প্রশংসা করে তিনি বলেন, দেশীয় সংস্কৃতি, উপাদান ও নকশায় মণ্ডপটি সাজানো হয়েছে, যা প্রশংসনীয়। তিনি আয়োজকদের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি, শান্তি ও মঙ্গল কামনা করেন।৩৩ হাজারের বেশি পূজামণ্ডপের দায়িত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: আইজিপিএকই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, সারা দেশে ৩৩ হাজারের বেশি পূজামণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক লাখের বেশি সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপন নিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনায় সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন।আইজিপি বলেন, দায়িত্ব পালনের পরও একটি পক্ষ থেকে পূজার আয়োজন নিয়ন্ত্রিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে, যা দুঃখজনক। যারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়ে সুযোগ নিতে চায়, তারা এমন চেষ্টা করতেই পারে। তবে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—সব ধর্মের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।


ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারের উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মকে নিজেদের বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) ও স্কাউট সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।ডেঙ্গু পরিস্থিতি, চিকিৎসাসেবা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে দেখতে শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি ভবন আকস্মিক পরিদর্শনে বের হন প্রধানমন্ত্রী।দিনের শুরুতে তিনি রাজধানীর কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের চিকিৎসাসেবার খোঁজখবর নেন। হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র (আইসিইউ), অস্ত্রোপচারকক্ষসহ (অপারেশন থিয়েটার) বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন তিনি।পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতার পরিস্থিতি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। হাসপাতালের পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থার উন্নয়নে কর্তৃপক্ষকে সাত দিনের সময় দেন তিনি।এরপর প্রধানমন্ত্রী যান রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে। সেখানে তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিএনসিসি ও স্কাউট সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন তিনি।এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বছরের এ সময়ে, বিশেষ করে নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যায়। প্রতিবছর ডেঙ্গুতে অনেক মানুষ আক্রান্ত হন, অনেকের মৃত্যুও হয়। ডেঙ্গু মোকাবিলায় সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে প্রতিরোধ। আর এ জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গুর সঙ্গে লড়াই করতে হলে সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে প্রতিরোধ। আর এ জন্য আমাদের চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। এই কাজে আমি তোমাদের সাহায্য চাই।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিপুলসংখ্যক তরুণ যদি নিজেদের আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব নেয়, তাহলে ডেঙ্গু প্রতিরোধসহ পরিবেশ রক্ষায় বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান বলেন, ঢাকা একটি বিশাল শহর। এখানে দুই থেকে আড়াই কোটির বেশি মানুষের বসবাস। সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিয়মিত কাজ করলেও তাদের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাই শুধু সিটি করপোরেশন বা প্রশাসনের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। নাগরিকদেরও দায়িত্ব নিতে হবে।প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের বলেন, ‘তোমরা স্কাউট, গার্ল গাইড কিংবা রেড ক্রিসেন্টের সদস্য হও বা না হও, তোমরা সবাই এ দেশের নাগরিক। তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তাই নিজের বাসা, স্কুল, পাড়া ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব তোমাদেরও নিতে হবে।’যত্রতত্র ময়লা ফেলার প্রবণতা বন্ধে সামাজিক সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেউ নির্ধারিত স্থানের বাইরে ময়লা ফেললে তাকে সচেতন করতে হবে। সবাই মিলে চেষ্টা করলে ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব।প্রধানমন্ত্রী জানান, নগরীর বিভিন্ন স্থানে ময়লা ফেলার জন্য ডাস্টবিন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে অনেক জায়গা থেকে এসব ডাস্টবিন চুরি হয়ে যাচ্ছে। একইভাবে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে লাগানো গাছের চারাও চুরি হচ্ছে।এসব কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নাগরিকদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।পরিবেশ রক্ষায় শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর নিজেদের ও পরিবারের সদস্যদের জন্মদিনে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, ‘তোমার জন্মদিনে, ভাইবোনের জন্মদিনে কিংবা নানা-নানির জন্মদিনে একটি করে গাছ লাগানোর চেষ্টা করবে। সেটা তোমার বাসায় হতে পারে, স্কুলে হতে পারে কিংবা গ্রামের বাড়িতে হতে পারে। গাছগুলো যখন বড় হবে, তোমরাও তখন বড় হবে।’রাজধানীতে ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা ও সবুজের ঘাটতি নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণা করে তিনি বলেন, একসময় ঢাকায় অনেক বেশি গাছপালা ও খোলা জায়গা ছিল। এখন সেখানে বহুতল ভবন গড়ে উঠেছে। গাছপালা কমে যাওয়ায় শহরে গরমের অনুভূতিও বেড়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গাছ যত বাড়বে, আমরা তত বুক ভরে শ্বাস নিতে পারব। গাছের পাতার ঝিরঝির শব্দ আমার খুব ভালো লাগে। আমরা সবাই মিলে গাছ লাগালে শহরের তাপমাত্রাও কিছুটা কমিয়ে আনা সম্ভব।’শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়ন—এই তিনটি ক্ষেত্রে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। শুধু সরকারের উদ্যোগ নয়, নাগরিকদের সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে।প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চান, নিজেদের স্কুল, বাসা, পাড়া ও আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখতে তাঁদের সহযোগিতা পাওয়া যাবে কি না। এ সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পান তিনি।


বিশ্বকাপের সেই ম্যাচের আগে কী হয়েছিল আর্জেন্টিনা দলে, মুখ খুললেন লাউতারো

বিশ্বকাপের সেই ম্যাচের আগে কী হয়েছিল আর্জেন্টিনা দলে, মুখ খুললেন লাউতারো

২০২৬ বিশ্বকাপে শিরোপা ধরে রাখার খুব কাছে চলে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু শেষমেশ স্পেনের কাছে হেরে রানার্স আপ হয়েই বিদায় নিতে হয় লিওনেল মেসির দলকে। তবে তার আগে তারা এমন এক ম্যাচ খেলেছে, যা তাদের ইতিহাসকে উসকে দিয়েছে আরও একবার। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ম্যাচটা শেষের পর নানা কারণে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। তার আগে ম্যাচটা জেতানো লাউতারো মার্তিনেজ এবার মুখ খুলেছেন সেই ইস্যুতে। জানালেন সেই ম্যাচের আগে কী হয়েছিল আর্জেন্টিনা দলে।ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে ইংল্যান্ডের সঙ্গে আর্জেন্টিনার পুরোনো বিরোধ আছে। লাউতারো জানিয়েছেন, এই বিরোধ ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে দলের মধ্যে আলাদা আবেগ তৈরি করেছিল। তিনি ম্যাচটিকে শুধু একটি ফুটবল ম্যাচ মনে করেননি। নিজের জয়সূচক গোলটি তিনি ১৯৮২ সালের যুদ্ধের সৈনিকদের উৎসর্গ করেছেন।১৫ জুলাই আটলান্টায় সেমিফাইনাল ম্যাচ হয়। পিছিয়ে পড়েও আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে ইংল্যান্ডকে হারায়। ইন্টার মিলানের এই স্ট্রাইকার ৯২ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন। এতে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠে আর্জেন্টিনা। আর্জেন্টাইনরা এই দ্বীপের যুদ্ধকে নিজেদের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় মনে করেন। তাই গোলটির মূল্য ফলাফলের চেয়েও বেশি হয়ে উঠেছিল।এএফএ স্টুডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্তিনেজ আবেগে ভেসে যান। তাকে একটি ভিডিও দেখানো হয়। সেখানে মালভিনাস যুদ্ধের এক সৈনিক তার গোল উদ্‌যাপন করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ছিলেন।মার্তিনেজ বলেন, ‘এটা তাদের জন্যই সম্ভব হয়েছে [ফকল্যান্ড যুদ্ধের আর্জেন্টাইন সৈনিক], সে সময় তারা যেভাবে আমাদের দেশকে তুলে ধরেছিলেন তার জন্য। আজ অন্তত আমি এই গোলটা তাদের উৎসর্গ করতে পারি। তারা আজ জাতীয় দলের সঙ্গে নিজেদের মেলাতে পারছেন, এটা আমরা এই সময়ে যা গড়েছি তারই প্রমাণ।’তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যত পুরস্কার, স্বীকৃতি ও প্রশংসা পাচ্ছি, সবই তাদের কারণে। কীভাবে লড়তে হয়, তা তারাই আমাদের শিখিয়েছেন।’ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে চায়নি। কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেছিলেন, তিনি চান না ম্যাচটি এই যুদ্ধ নিয়ে হোক। কিন্তু মার্তিনেজের কথায় ড্রেসিংরুমের আবেগের কিছুটা আভাস মিলল। প্রকাশ্যে খেলোয়াড়েরা ফুটবল ও রাজনীতিকে আলাদা রেখেছিলেন।মার্তিনেজ বলেন, ‘ক্যামেরার সামনে আমাদের অন্যভাবে চলতে হয়েছে, কারণ এটা একটা ফুটবল ম্যাচ। কিন্তু ভেতরে এটা অন্য ম্যাচের মতো ছিল না। পুরো ইতিহাসের কারণে এটা বিশেষ ছিল।’তিনি আরও বলেন, ‘ফকল্যান্ডস ইস্যু ছিল একটি বিশেষ উপাদান।’ তার মতে, এটি দলকে ‘বাড়তি শক্তি ও সেই ইতিবাচক ইতিবাচক উদ্দীপনা’ দিয়েছে, যা এ ধরনের ম্যাচ খেলতে দরকার।দুই দেশের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার শিকড় অনেক গভীরে। ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনার সেনারা দ্বীপে নামলে ৭৪ দিনের যুদ্ধ হয়। ব্রিটেনে দ্বীপগুলো ফকল্যান্ড নামে পরিচিত। আর্জেন্টিনায় এর নাম ইসলাস মালভিনাস। যুদ্ধে ৬৫৫ জন আর্জেন্টাইন ও ২৫৫ জন ব্রিটিশ সেনা নিহত হন। তিনজন দ্বীপবাসীও মারা যান। ১৯৮২ সালের জুনে ব্রিটিশ বাহিনী দ্বীপগুলো আবার দখলে নেয়। তবে সার্বভৌমত্বের বিরোধ এখনো মেটেনি।সেমিফাইনালের পর রাজনৈতিক প্রসঙ্গ আবার সামনে আসে। আর্জেন্টিনার খেলোয়াড় লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও জিওভানি লো চেলসো গ্যালারির সামনে উদ্‌যাপনের সময় একটি ব্যানার তুলে ধরেন। তাতে লেখা ছিল ‘লাস মালভিনাস সন আর্হেন্তিনাস’, অর্থাৎ ‘ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনার’। ব্যানারটি কোথা থেকে এল, তা পরিষ্কার নয়। ফিফা পরে বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছে। স্টেডিয়ামে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া ফিফার নিয়মের লঙ্ঘন বলে মনে করা হচ্ছে।লাউতারোর কাছে গোলের ব্যক্তিগত তাৎপর্য বুঝতে সময় লেগেছিল। ম্যাচের পর হেডের দৃশ্য বারবার দেখানো হয়। তিনি বলেন, ‘এটা এমন এক স্মৃতি, যা আমি চিরদিন আগলে রাখব।’ টুর্নামেন্টের তীব্রতা আর কয়েক দিন পরের ফাইনালের কারণে তিনি ‘গোলটা যে করেছি, সেটা পুরোপুরি টের পাননি’ বলে স্বীকার করেন।তিনি আরও বলেন, ‘দেশে ফিরে যখন আর্জেন্টাইনদের সঙ্গে দেখা হলো, তখন আমি এটা অনুভব করলাম। গোলটার অর্থ বোঝাতে মানুষ আমাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছিল। তখনই আমি এর গুরুত্ব বুঝলাম।’ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অসাধারণ জয়ের পর আর্জেন্টিনার সামনে ছিল স্পেনের বিপক্ষে ফাইনাল। দলে ছিলেন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা লিওনেল মেসি। ২০২২ সালের চ্যাম্পিয়নরা দারুণ লড়াইয়ের আশা জাগিয়েছিল। কিন্তু ফাইনালে লুইস দে লা ফুয়েন্তের স্পেনের কাছে তারা পুরোপুরি ম্লান হয়ে যায়। ম্যাচ শেষ হয় ১-০ ব্যবধানে। স্পেনের আধিপত্যের তুলনায় এই ব্যবধান কিছুই নয়।মার্তিনেজ বলেন, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ শরীর ও মন দুই দিক থেকেই দলকে ক্লান্ত করেছিল। তবে ফাইনালে দল সবটুকু দেয়নি, এ কথা তিনি মানেননি।তিনি বলেন, ‘ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ আমাদের অনেক শক্তি শেষ করে দিয়েছিল। আমরা যা পেরেছি সবই দিয়েছি, ফাইনালেও তা-ই। কিছু খেলোয়াড়কে মাঠ ছাড়তে হয়েছে। আমরা মাঠে সব উজাড় করে দিয়েছি, তা বোঝাও গেছে। কেউ কেউ হাঁটতে পারছিল না, তবু দৌড়াচ্ছিল।’তিনি আরও বলেন, ‘শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমাদের সুযোগ ছিল। মানুষ যখন ওই সব তত্ত্ব নিয়ে কথা বলে, তখন বিরক্ত লাগে। কারণ এটা পরিষ্কার যে আমরা সবকিছু দিয়েছি। এতে আমাদের মন শান্ত থাকে। প্রতিপক্ষ ছিল শক্তিশালী।’ইংল্যান্ডকে হারানোর স্মরণে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ১৫ জুলাইকে জাতীয় ফুটবল দিবস ঘোষণা করেছে। এই জয় ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের স্মৃতিও ফিরিয়ে এনেছে। সেই ম্যাচে দিয়েগো মারাদোনা বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল এবং বিখ্যাত একক গোলটি করেছিলেন।পুরো অভিযান নিয়ে মার্তিনেজ বলেন, সমর্থকদের সঙ্গে দলের যোগাযোগ সাফল্যের মূলে ছিল।তিনি বলেন, ‘এটা খুব তীব্র একটি বিশ্বকাপ ছিল। প্রতিটি ম্যাচ ছিল কঠিন। সমর্থকেরা আমাদের সঙ্গে, আমাদের পথচলার সঙ্গে নিজেদের মিলিয়েছেন। আমাদের এই দল এমন একটি দল, যে কখনো হাল ছাড়ে না, সব সময় আরও চায়। আর আছেন লিও [মেসি]র মতো নেতা, যিনি আমাদের হার না মানতে শিখিয়েছেন।’


কক্সবাজারের ইনানীতে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বেড়ে ৭

কক্সবাজারের ইনানীতে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বেড়ে ৭

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরও পাঁচজন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে মেরিন ড্রাইভের পাটুয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকার রিসোর্টে লাগা এ আগুন ১০টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনায় আরও হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র কর্মকর্তা দোলন আচার্য ঘটনাস্থল থেকে সাতটি লাশ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানিয়েছে, ওই রিসোর্টে মোট ১৭ জন পর্যটক ছিলেন। নিহত ব্যক্তিরা পর্যটক বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। তবে তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, অনেকে নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঠিক কতজন পর্যটক মারা গেছেন, তা জানতে একটু সময় লাগবে।ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সকাল ৮টা থেকে তিনটি ইউনিট কাজ শুরু করে। সকাল ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর রিসোর্টটিতে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়।অগ্নিকাণ্ডে রিসোর্টটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সেখানে আরও কেউ আটকা পড়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন উদ্ধারকর্মীরা। এ ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের পর রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের লোকজন পালিয়ে গেছেন বলে জানা গেছে। আগুনের সূত্রপাত, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং রিসোর্টটির অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।


সন্তান নিতে চাইলে এই ৪ বদভ্যাস আজই ত্যাগ করুন

সন্তান নিতে চাইলে এই ৪ বদভ্যাস আজই ত্যাগ করুন

বাবা-মা হওয়ার পরিকল্পনা করছেন? সুস্থ গর্ভাবস্থা ও একটি সুন্দর আগামীর জন্য শুধু জীবনযাত্রার বড় বড় পরিবর্তনই নয়, বরং নজর দিতে হবে দৈনন্দিন ছোটখাটো অভ্যাসের প্রতিও। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে সন্তান নেওয়ার আগে কোন অভ্যাসগুলো বর্জন করা জরুরি, সে বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মদপান বর্জন করুন গর্ভধারণের পরিকল্পনা থাকলে বা গর্ভাবস্থায় মদপান থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকা জরুরি। এটি বন্ধ্যত্ব ও গর্ভপাতের মতো মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ক্যাফেইনে নিয়ন্ত্রণ কফি ছাড়া দিন শুরু করা অনেকেরই অভ্যাস। তবে অতিরিক্ত চা বা কফি পানের অভ্যাস বন্ধ্যত্ব সৃষ্টির পাশাপাশি গর্ভপাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিতে পারে। অনেকেই দাঁতের স্বাস্থ্য নিয়ে উদাসীন থাকেন, যা মোটেও ঠিক নয়। মুখের বা দাঁতের অযত্ন পুরুষের শুক্রাণুর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং অপরিপক্ব শিশুর জন্মঝুঁকি বাড়াতে পারে। ধূমপানকে না বলুন ধূমপানে থাকা নিকোটিন নারীদের শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোন উৎপাদনে বাধা দেয়। যেহেতু এই হরমোনটি ডিম্বস্ফোটন বা ওভুলেশন নিয়ন্ত্রণ করে, তাই ধূমপান গর্ভধারণের পথকে কঠিন করে তোলে এবং চিকিৎসাধীন নারীদের অবস্থাকেও প্রভাবিত করতে পারে। তাই সুস্থ ও স্বাভাবিক উপায়ে সন্তান নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে আজই এই ক্ষতিকর অভ্যাসগুলো থেকে দূরে থাকুন। 


আজ কতক্ষণ চলবে ব্যাংক লেনদেন

আজ কতক্ষণ চলবে ব্যাংক লেনদেন

শারদীয় দুর্গাপূজা আর সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে সামনে টানা পাঁচ দিন দেশের ব্যাংক বন্ধ থাকবে। দীর্ঘ এই ছুটির কথা মাথায় রেখেই আজ শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও ব্যাংক খোলা রাখা হয়েছে। অন্য যেকোনো সাধারণ কর্মদিবসের মতোই আজ স্বাভাবিক নিয়মে ব্যাংক লেনদেন ও সব ধরনের সেবা চালু থাকবে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর দুর্গাপূজার ছুটি। এরপর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে টানা পাঁচ দিন ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।তবে ছুটির মধ্যেও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতে সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকার ব্যাংক শাখা ও বুথে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং সেবা চালু থাকবে।উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর সরকারি ছুটি ঘোষণা করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে আজ শনিবার সরকারি-বেসরকারি অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।


মাসুদ সারওয়ারের বিরুদ্ধে ঈদ ডিউটিতে গাফিলতি ও টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ

মাসুদ সারওয়ারের বিরুদ্ধে ঈদ ডিউটিতে গাফিলতি ও টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের অডিট আপত্তির বিষয়ে প্রচারিত সংবাদের ব্যাখ্যা

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের অডিট আপত্তির বিষয়ে প্রচারিত সংবাদের ব্যাখ্যা

বাংলাধারা ডটকম ও দৈনিক আজাদী'র সংবাদ প্রত্যাহার ও সংশোধনের দাবি, ৭ দিনের আল্টিমেটাম

বাংলাধারা ডটকম ও দৈনিক আজাদী'র সংবাদ প্রত্যাহার ও সংশোধনের দাবি, ৭ দিনের আল্টিমেটাম

ইলেক্ট্রিক ট্রেন চালুর বিষয়ে ইউরোপীয় রেল শিল্পের সঙ্গে আলোচনা

ইলেক্ট্রিক ট্রেন চালুর বিষয়ে ইউরোপীয় রেল শিল্পের সঙ্গে আলোচনা

রেলওয়ের চট্টগ্রাম জোনাল স্পোর্টস কাউন্সিলের ২০২৬-২৭ সালের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

রেলওয়ের চট্টগ্রাম জোনাল স্পোর্টস কাউন্সিলের ২০২৬-২৭ সালের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

বাংলাদেশ রেলওয়ের নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে অপতথ্য প্রচার, সতর্ক করল রেলওয়ে

বাংলাদেশ রেলওয়ের নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে অপতথ্য প্রচার, সতর্ক করল রেলওয়ে

বিনা বিচারে রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী অপসারণ অসাংবিধানিক: হাইকোর্টে রিটের প্রস্তুতি

বিনা বিচারে রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী অপসারণ অসাংবিধানিক: হাইকোর্টে রিটের প্রস্তুতি

ইনোট্রান্স ২০২৬-এ রেলের বৈদ্যুতিক ট্রেন ও ডাবললাইন প্রকল্পে অর্থায়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

ইনোট্রান্স ২০২৬-এ রেলের বৈদ্যুতিক ট্রেন ও ডাবললাইন প্রকল্পে অর্থায়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

ওয়াশিং প্ল্যান্ট প্রকল্প নিয়ে অভিযোগ তথ্যনির্ভর নয়: রেলওয়ে কর্মকর্তাদের দাবি

ওয়াশিং প্ল্যান্ট প্রকল্প নিয়ে অভিযোগ তথ্যনির্ভর নয়: রেলওয়ে কর্মকর্তাদের দাবি

হাজারীবাগে বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

হাজারীবাগে বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

আজিমপুর সরকারি কোয়ার্টারের অপরিচ্ছন্নতায় ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, সময় দিলেন ২ সপ্তাহ

আজিমপুর সরকারি কোয়ার্টারের অপরিচ্ছন্নতায় ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, সময় দিলেন ২ সপ্তাহ

কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনের ঘটনায় ইনচার্জ আটক

কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনের ঘটনায় ইনচার্জ আটক

বৈধ বিদেশি কর্মীর সংখ্যা জানাল মালয়েশিয়া

বৈধ বিদেশি কর্মীর সংখ্যা জানাল মালয়েশিয়া

মাদকের আস্তানায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অভিযান, ধরলেন ৬ জনকে

মাদকের আস্তানায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অভিযান, ধরলেন ৬ জনকে

বেদখল হওয়া সরকারি ভূমি উদ্ধারে তৎপর হওয়ার নির্দেশ

বেদখল হওয়া সরকারি ভূমি উদ্ধারে তৎপর হওয়ার নির্দেশ

বিমানবন্দরে লাগেজের গতিবিধি এবার যাত্রীদের চোখের সামনে

বিমানবন্দরে লাগেজের গতিবিধি এবার যাত্রীদের চোখের সামনে

অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দাবি এনসিপির

অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দাবি এনসিপির

গাজীপুরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় আগুন

গাজীপুরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় আগুন

শিশু হাসপাতালে চিকিৎসকের কক্ষে ধূমপান, বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

শিশু হাসপাতালে চিকিৎসকের কক্ষে ধূমপান, বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

‘পেনশন নিয়ে বাড়ি ফেরা হবে না’— পুলিশ কর্মকর্তাকে ছাত্রলীগ নেতা

‘পেনশন নিয়ে বাড়ি ফেরা হবে না’— পুলিশ কর্মকর্তাকে ছাত্রলীগ নেতা