দৈনিক সকালের সময়-এর দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির সভাপতি ও দৈনিক সকালের সময়-এর বিশেষ প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান মনির বলেন,
“একটি সংবাদপত্রের বয়স কেবল সময়ের হিসাব নয়—এটি একটি নৈতিক অবস্থান, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা এবং সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার ইতিহাস।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সম্মানিত অতিথি, সহকর্মী ও সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, দৈনিক সকালের সময় গত এক দশকে সাহস, সততা ও জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে একটি স্বতন্ত্র ও বিশ্বাসযোগ্য অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “এই পত্রিকা শুধু সংবাদ পরিবেশন করেনি; বরং এটি বঞ্চিত ও নিপীড়িত মানুষের পক্ষে কথা বলেছে, অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার একটি গ্রহণযোগ্য মানদণ্ড প্রতিষ্ঠা করেছে।”
বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ভবিষ্যতেও দৈনিক সকালের সময় ক্ষমতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সত্য বলার সাহস অটুট রাখবে এবং নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য একটি নৈতিক দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে।
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি দৈনিক সকালের সময়-এর এই সাফল্যের পেছনে সংশ্লিষ্ট সকলের অবদানের কথা গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “এই সাফল্যের পেছনে সম্পাদক ও প্রকাশক, সাংবাদিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং পাঠকদের অবদান অনস্বীকার্য। তাঁদের সকলের প্রতি জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।”
তিনি আরও বলেন, “দৈনিক সকালের সময় দীর্ঘজীবী হোক, সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকুক।”
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তি, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ১১ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬
দৈনিক সকালের সময়-এর দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির সভাপতি ও দৈনিক সকালের সময়-এর বিশেষ প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান মনির বলেন,
“একটি সংবাদপত্রের বয়স কেবল সময়ের হিসাব নয়—এটি একটি নৈতিক অবস্থান, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা এবং সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার ইতিহাস।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সম্মানিত অতিথি, সহকর্মী ও সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, দৈনিক সকালের সময় গত এক দশকে সাহস, সততা ও জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে একটি স্বতন্ত্র ও বিশ্বাসযোগ্য অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “এই পত্রিকা শুধু সংবাদ পরিবেশন করেনি; বরং এটি বঞ্চিত ও নিপীড়িত মানুষের পক্ষে কথা বলেছে, অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার একটি গ্রহণযোগ্য মানদণ্ড প্রতিষ্ঠা করেছে।”
বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ভবিষ্যতেও দৈনিক সকালের সময় ক্ষমতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সত্য বলার সাহস অটুট রাখবে এবং নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য একটি নৈতিক দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে।
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি দৈনিক সকালের সময়-এর এই সাফল্যের পেছনে সংশ্লিষ্ট সকলের অবদানের কথা গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “এই সাফল্যের পেছনে সম্পাদক ও প্রকাশক, সাংবাদিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং পাঠকদের অবদান অনস্বীকার্য। তাঁদের সকলের প্রতি জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।”
তিনি আরও বলেন, “দৈনিক সকালের সময় দীর্ঘজীবী হোক, সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকুক।”
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তি, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন