বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক থেকে শুরু করে ওয়েম্যান পর্যায়ের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আদালতের চূড়ান্ত রায়, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনানুগ সিদ্ধান্ত অথবা ফৌজদারি অপরাধে দোষ প্রমাণিত অভিযোগ ছাড়া অপসারণ করা বাংলাদেশের সংবিধান, সার্ভিস রুলস, প্রাকৃতিক বিচারনীতি ও আন্তর্জাতিক শ্রম ও মানবাধিকার মানদণ্ডের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন—এমন অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি।
সংগঠনটির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিক সমান এবং ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনগত সুরক্ষা, ন্যায়বিচার ও জীবন-ব্যক্তিস্বাধীনতা প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার। অথচ বিনা বিচার, বিনা অভিযোগ প্রমাণে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করা এসব মৌলিক সাংবিধানিক অধিকারের সরাসরি লঙ্ঘন।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত শুধু একজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি ব্যক্তিগত অবিচার নয়; বরং এটি বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতা, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও পেশাগত নেতৃত্বের ওপর গুরুতর আঘাত। বিচারিক প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে ক্ষমতার অপব্যবহারের সংস্কৃতি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভয় ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে, যা কোনো গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় গ্রহণযোগ্য নয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এসব সুস্পষ্ট বেআইনি, অসাংবিধানিক ও মানবাধিকার পরিপন্থী অপসারণের বিরুদ্ধে আইনের শাসন ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সিনিয়র আইনজীবীদের মাধ্যমে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে রিট মামলা দায়েরের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্টস আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি আশা প্রকাশ করে জানিয়েছে, হাইকোর্ট বিভাগ এ বিষয়ে যথাযথ নির্দেশনা প্রদান করবেন, যাতে ভবিষ্যতে অন্যায়ভাবে গৃহীত অপসারণের সিদ্ধান্ত স্থগিত ও বাতিল হয়, ভুক্তভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরির নিরাপত্তা, মানবিক মর্যাদা ও সাংবিধানিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং বাংলাদেশ রেলওয়েসহ সকল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের সুদৃঢ় দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ রেলওয়ের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে বিনা বিচারে ও বিনা প্রমাণে কর্মকর্তা-কর্মচারী অপসারণ রাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থার জন্য এক অশুভ ও বিপজ্জনক নজির। এ ধরনের বেআইনি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শুধু প্রতিবাদ নয়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আইনগত লড়াই অব্যাহত থাকবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রিট মামলার আইনি ভিত্তি হিসেবে সংবিধানের ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন, প্রাকৃতিক বিচারনীতির (Audi Alteram Partem) পরিপন্থী আচরণ, আদালতের রায় বা দুদকের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়া অপসারণ, প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মৌলিক কনভেনশন লঙ্ঘনের বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক থেকে শুরু করে ওয়েম্যান পর্যায়ের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আদালতের চূড়ান্ত রায়, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনানুগ সিদ্ধান্ত অথবা ফৌজদারি অপরাধে দোষ প্রমাণিত অভিযোগ ছাড়া অপসারণ করা বাংলাদেশের সংবিধান, সার্ভিস রুলস, প্রাকৃতিক বিচারনীতি ও আন্তর্জাতিক শ্রম ও মানবাধিকার মানদণ্ডের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন—এমন অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি।
সংগঠনটির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিক সমান এবং ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনগত সুরক্ষা, ন্যায়বিচার ও জীবন-ব্যক্তিস্বাধীনতা প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার। অথচ বিনা বিচার, বিনা অভিযোগ প্রমাণে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করা এসব মৌলিক সাংবিধানিক অধিকারের সরাসরি লঙ্ঘন।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত শুধু একজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি ব্যক্তিগত অবিচার নয়; বরং এটি বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতা, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও পেশাগত নেতৃত্বের ওপর গুরুতর আঘাত। বিচারিক প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে ক্ষমতার অপব্যবহারের সংস্কৃতি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভয় ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে, যা কোনো গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় গ্রহণযোগ্য নয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এসব সুস্পষ্ট বেআইনি, অসাংবিধানিক ও মানবাধিকার পরিপন্থী অপসারণের বিরুদ্ধে আইনের শাসন ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সিনিয়র আইনজীবীদের মাধ্যমে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে রিট মামলা দায়েরের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্টস আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি আশা প্রকাশ করে জানিয়েছে, হাইকোর্ট বিভাগ এ বিষয়ে যথাযথ নির্দেশনা প্রদান করবেন, যাতে ভবিষ্যতে অন্যায়ভাবে গৃহীত অপসারণের সিদ্ধান্ত স্থগিত ও বাতিল হয়, ভুক্তভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরির নিরাপত্তা, মানবিক মর্যাদা ও সাংবিধানিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং বাংলাদেশ রেলওয়েসহ সকল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের সুদৃঢ় দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ রেলওয়ের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে বিনা বিচারে ও বিনা প্রমাণে কর্মকর্তা-কর্মচারী অপসারণ রাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থার জন্য এক অশুভ ও বিপজ্জনক নজির। এ ধরনের বেআইনি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শুধু প্রতিবাদ নয়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আইনগত লড়াই অব্যাহত থাকবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রিট মামলার আইনি ভিত্তি হিসেবে সংবিধানের ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন, প্রাকৃতিক বিচারনীতির (Audi Alteram Partem) পরিপন্থী আচরণ, আদালতের রায় বা দুদকের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়া অপসারণ, প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মৌলিক কনভেনশন লঙ্ঘনের বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন