বাংলাদেশ রেলওয়ের অধীন তিনটি আন্তঃনগর ট্রেনের ক্যাটারিং প্যাচেজ ইজারা প্রদান প্রক্রিয়ায় সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে কাজ না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহাপরিচালকের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছে রাহাত এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দেওয়া এক পত্রে উল্লেখ করা হয়, পশ্চিমাঞ্চলের চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজারের অধীনে পরিচালিত কয়েকটি ট্রেন—পঞ্চগড়-ঢাকা রুটের একটি এক্সপ্রেস, রংপুর-ঢাকা রুটের একটি এক্সপ্রেস এবং খুলনা-ঢাকা রুটের সুন্দরবন এক্সপ্রেস—এর ক্যাটারিং প্যাচেজের জন্য তারা দরপত্রে অংশগ্রহণ করে।
পত্রে দাবি করা হয়, সংশ্লিষ্ট নিয়ম, শর্ত ও গাইডলাইন অনুসরণ করে প্রতিষ্ঠানটি ২ শতাংশ কমিশন এবং ২০ শতাংশ ভ্যাটসহ সর্বনিম্ন দর প্রস্তাব করে। সেই হিসেবে তারা বৈধভাবে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে বিবেচিত হওয়ার যোগ্য। কিন্তু এরপরও তাদের অনুকূলে কাজের অনুমতি প্রদান করা হয়নি, যা নিয়মবহির্ভূত বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
রাহাত এন্টারপ্রাইজের অভিযোগ, দরপত্র মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা বজায় রাখা হয়নি। ফলে তারা বৈধ অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এ অবস্থায় বিষয়টি পুনরায় সুষ্ঠুভাবে পর্যালোচনা করে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে তাদের প্রতিষ্ঠানকে কাজ প্রদান করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি দরপত্র প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে শুধু প্রতিষ্ঠান নয়, রাষ্ট্রীয় আর্থিক ব্যবস্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
বাংলাদেশ রেলওয়ের অধীন তিনটি আন্তঃনগর ট্রেনের ক্যাটারিং প্যাচেজ ইজারা প্রদান প্রক্রিয়ায় সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে কাজ না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহাপরিচালকের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছে রাহাত এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দেওয়া এক পত্রে উল্লেখ করা হয়, পশ্চিমাঞ্চলের চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজারের অধীনে পরিচালিত কয়েকটি ট্রেন—পঞ্চগড়-ঢাকা রুটের একটি এক্সপ্রেস, রংপুর-ঢাকা রুটের একটি এক্সপ্রেস এবং খুলনা-ঢাকা রুটের সুন্দরবন এক্সপ্রেস—এর ক্যাটারিং প্যাচেজের জন্য তারা দরপত্রে অংশগ্রহণ করে।
পত্রে দাবি করা হয়, সংশ্লিষ্ট নিয়ম, শর্ত ও গাইডলাইন অনুসরণ করে প্রতিষ্ঠানটি ২ শতাংশ কমিশন এবং ২০ শতাংশ ভ্যাটসহ সর্বনিম্ন দর প্রস্তাব করে। সেই হিসেবে তারা বৈধভাবে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে বিবেচিত হওয়ার যোগ্য। কিন্তু এরপরও তাদের অনুকূলে কাজের অনুমতি প্রদান করা হয়নি, যা নিয়মবহির্ভূত বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
রাহাত এন্টারপ্রাইজের অভিযোগ, দরপত্র মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা বজায় রাখা হয়নি। ফলে তারা বৈধ অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এ অবস্থায় বিষয়টি পুনরায় সুষ্ঠুভাবে পর্যালোচনা করে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে তাদের প্রতিষ্ঠানকে কাজ প্রদান করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি দরপত্র প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে শুধু প্রতিষ্ঠান নয়, রাষ্ট্রীয় আর্থিক ব্যবস্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন