ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় পাঁচ মাস পার করেছেন পুলিশের চৌকস কর্মকর্তা শামীমা পারভীন। ঢাকা জেলার ইতিহাসে প্রথম নারী পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর রাজধানীর চারপাশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও কিশোর গ্যাং দমন, সাইবার অপরাধ রোধ, নারীর নিরাপত্তা, পুলিশে নারীদের অংশগ্রহণ এবং বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা ফেরানোসহ নানা বিষয়ে কাজ করছেন তিনি। সমাধান খুঁজতে ছুটে গেছেন সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায়।
দীর্ঘ ২০ বছরের পুলিশিং ক্যারিয়ারে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে এই কর্মকর্তার। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নেতৃত্ব দিয়েছেন নারী পুলিশ কর্মকর্তাদের। ঢাকা জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পুলিশের নানা সীমাবদ্ধতা ও সম্ভাবনা এবং জনবান্ধব পুলিশিংয়ের ভাবনা নিয়ে ঢাকা পোস্টের মুখোমুখি হয়েছেন শামীমা পারভীন।
ঢাকা পোস্ট: দায়িত্ব নেওয়ার পর চার মাস ২৮ দিন অতিবাহিত হলো। ঢাকা জেলার ইতিহাসে প্রথম নারী পুলিশ সুপার হিসেবে এ রকম একটি জটিল জেলার দায়িত্ব নেওয়ার পর কোন চ্যালেঞ্জটি আপনাকে সবচেয়ে বেশি তাড়িত করেছে?
শামীমা পারভীন: ধন্যবাদ আপনাকে। ঢাকা জেলার ৯৮তম পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় নিজেকে একজন পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবেই ভেবেছি; নারী বা পুরুষ হিসেবে নয়। রাজধানী ঘিরে গঠিত ঢাকা জেলায় বৈচিত্র্যময় মানুষের বসবাস এবং অপরাধের ধরনও ভিন্ন। এসব বিষয় নিয়ে কাজ করাকে এক ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিয়েছি। আমার ২০ বছরের অভিজ্ঞতা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণকে কাজে লাগিয়ে এসব মোকাবিলা করছি।
নিজেকে একজন পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবেই ভেবেছি; নারী বা পুরুষ হিসেবে নয়— এসপি শামীমা পারভীন / ঢাকা পোস্ট
পুলিশের মূল কাজই হলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে দেশকে স্থিতিশীল রাখা। সারা দেশের মতো ঢাকা জেলাতেও মাদক একটি বড় চ্যালেঞ্জ। পাশাপাশি প্রযুক্তিভিত্তিক সাইবার অপরাধের নতুন ধারা তৈরি হচ্ছে। ভৌগোলিক গুরুত্ব ও বৈচিত্র্যময় অপরাধ সামলানোই এখন আমাদের প্রধান কাজ।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় পাঁচ মাস পার করেছেন পুলিশের চৌকস কর্মকর্তা শামীমা পারভীন। ঢাকা জেলার ইতিহাসে প্রথম নারী পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর রাজধানীর চারপাশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও কিশোর গ্যাং দমন, সাইবার অপরাধ রোধ, নারীর নিরাপত্তা, পুলিশে নারীদের অংশগ্রহণ এবং বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা ফেরানোসহ নানা বিষয়ে কাজ করছেন তিনি। সমাধান খুঁজতে ছুটে গেছেন সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায়।
দীর্ঘ ২০ বছরের পুলিশিং ক্যারিয়ারে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে এই কর্মকর্তার। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নেতৃত্ব দিয়েছেন নারী পুলিশ কর্মকর্তাদের। ঢাকা জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পুলিশের নানা সীমাবদ্ধতা ও সম্ভাবনা এবং জনবান্ধব পুলিশিংয়ের ভাবনা নিয়ে ঢাকা পোস্টের মুখোমুখি হয়েছেন শামীমা পারভীন।
ঢাকা পোস্ট: দায়িত্ব নেওয়ার পর চার মাস ২৮ দিন অতিবাহিত হলো। ঢাকা জেলার ইতিহাসে প্রথম নারী পুলিশ সুপার হিসেবে এ রকম একটি জটিল জেলার দায়িত্ব নেওয়ার পর কোন চ্যালেঞ্জটি আপনাকে সবচেয়ে বেশি তাড়িত করেছে?
শামীমা পারভীন: ধন্যবাদ আপনাকে। ঢাকা জেলার ৯৮তম পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় নিজেকে একজন পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবেই ভেবেছি; নারী বা পুরুষ হিসেবে নয়। রাজধানী ঘিরে গঠিত ঢাকা জেলায় বৈচিত্র্যময় মানুষের বসবাস এবং অপরাধের ধরনও ভিন্ন। এসব বিষয় নিয়ে কাজ করাকে এক ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিয়েছি। আমার ২০ বছরের অভিজ্ঞতা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণকে কাজে লাগিয়ে এসব মোকাবিলা করছি।
নিজেকে একজন পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবেই ভেবেছি; নারী বা পুরুষ হিসেবে নয়— এসপি শামীমা পারভীন / ঢাকা পোস্ট
পুলিশের মূল কাজই হলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে দেশকে স্থিতিশীল রাখা। সারা দেশের মতো ঢাকা জেলাতেও মাদক একটি বড় চ্যালেঞ্জ। পাশাপাশি প্রযুক্তিভিত্তিক সাইবার অপরাধের নতুন ধারা তৈরি হচ্ছে। ভৌগোলিক গুরুত্ব ও বৈচিত্র্যময় অপরাধ সামলানোই এখন আমাদের প্রধান কাজ।

আপনার মতামত লিখুন