প্রিন্ট এর তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
সুজন ও কাইলা নবীর পাল্লায় পড়ে সর্বস্ব হারিয়ে ফেরারী আসামীর মতো ঘুরছেন যুবদলের তিন নেতা-কর্মীা
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
সাম্প্রতিক সময়ে অভিযোগ উঠেছে খিলগাঁও থানার তিন যুবদল নেতা ফেরারী আসামীর মতো জীবন যাপন করছে। তাদের ফেরারি জীবন যাপনের পিছনে দায়ী রামপুরা ও খিলগাঁও বনশ্রীর পরিচিত মুখ সাদিকুর রহমান আকন্দ সুজন ও কাইলা নবী ।যুবদলের তিন নেতা-কর্মীর মামলার বাদি সুজন, বিবাদীগণ তাহারা পূর্ব পরিচিত এবং ব্যবসায়িকপার্টনারও ছিলেন দীর্ঘদিনের ।দক্ষিণ বনশ্রী দশতলা মার্কেটের দোতালায় তারা একটি অফিসও ভাড়া নিয়েছিল। সেখানকার ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করলে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে। অনুসন্ধানে জানা যায়, মোফাজ্জল নামে এক ব্যক্তির কাছে, ২ কোটি ৬৮ লক্ষ ৫৪ হাজার টাকায় জায়গা বিক্রয় করেছে সকল পার্টনাররা মিলে। সেখানে সুজন ছিলেন না। সেই জমির পরিমাণ:-৯,১৬(পয়েন্ট) জমিটি মর্জিনা কবিরের সাথে বায়না করে তারা। হাবিব, রফিক, সোহেল,দিপু আরো দুজন আছে তাদের সাথে। তাদের মধ্য একজনে বলেন,মামলার স্বার্থে নাম গুলো গোপন রাখার অনুরোধ করেন,মোট পাঁচজনে ১০ লক্ষ টাকা, মর্জিনা কবির এর সাথে বায়না করে। এবং কাঠা প্রতি, ২৯ লক্ষ টাকা ধরে জায়গা বিক্রয় করে এইখানেও সুজন একটি জালিয়াতি করে। সুজন বলে, প্রতি কাঠা ২৮ লক্ষ টাকা ধরে বিক্রয় করেছি।এবং এই সত্যিটা হাবিব সহ সকলেই জেনে যায়। সেই জায়গা কে কেন্দ্র করে তখন থেকেই পার্টনারদের মধ্যে একজন মহিলা সহ ব্রোকার আবুলের উপর সুজন ক্ষিপ্ত হতে থাকে এবং দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয়।জমির ক্রয় এবং খরচ বাবদ, ১ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকা। এবং জমি বিক্রয় :দুই কোটি ৬৮ লক্ষ ৫৪ হাজার টাকা। সেই জমির মুনাফা হয় ১ কোটি ৫ লক্ষ ৫৪ হাজার টাকা। অনুসন্ধান জানা যায় ,এই, ১কোটি ৫ লাখ ৫৪ হাজার টাকার ভাগ, নিয়েই ঘটনার সূত্রপাত। মামলার বাদি, মামলা সুজন নিজেই। এবং মামলার তিন নাম্বার আসামি হাবিবকে ডেকে সকল পার্টনার এবং মহিলা সহ ব্রোকারদের উপস্থিতিতে ইস্টার্ন হাউসিংয়ের কর্মকর্তারা সুজনকে বলে দেয় হাবিবদেরকে মুনাফার ৩৫ লক্ষ টাকা দিয়ে দিতে ( হাউসিংএর বিচারে ধার্য করা ) উভয়ে, এতে সম্মতি প্রকাশ করলে ও পরবর্তিতে তারা অনিহা প্রকাশ করে।সেই ঘটনার বাদী সুজনের করা মামলায় যে ভিডিও ফুটেজ সম্পৃক্ত করে দেওয়া হয়েছে,সেই ভিডিওতে রফিক, হাবিব, দিপু এদের কোন প্রকার সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। টাকা না দেওয়ার জন্য সুজন মামলা করে এই যুবদলের এই তিন নেতা-কর্মীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের ফাঁসিয়ে দেয়। সুপ্তি নামে একজন তার ফেইসবুক লিখেছেন, "জমি দখল করা নিরীহ মানুষের টাকা মেরে দেওয়া ভূমিদস্যু সুজনের মত ভূমিদস্যুদিন শেষ, আইনের শাসন শুরু।আফরিনা শ্রাবনী নামে একজন লিখেছেন "জমি দখল করা নিরীহ মানুষের টাকা মেরে খাওয়াই ভূমিদস্যু সুজনের কাজ তাঁকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা উচিত বলে আমি মনে করি।অভিযুক্ত সাদিকুর রহমান আকন্দ সুজনের ও কাইল্লা নবীর বিষয় যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক প্রার্থী খিলগাঁও থানা মহানগর দক্ষিণ ইব্রাহিম হকি বলেন যারা জীবন বাজি রেখে রাজপথে ছিল বন্দুকের নলের আগা থেকে ফিরে এসেছে তাদের পিছনে ফেলে পতিত আওয়ামী দোষর কাইল্লা নবি সে সুজনের ছত্রছায়ায় খিলগাঁও রামপুরা বনশ্রী এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে।অভিযোগ আছে দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশ কর্মকর্তা রুমি কায়সারের ছত্রছায়ায় সুজন ও কাইল্লা নবী রামপুরা বনশ্রী এলাকায় অপরাধের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন।অসংখ্য মানুষ কে প্লট ফ্লাট দেওয়া কথা বলে টাকা নিয়ে তাদের সাথে প্রতারণা করেছেন যাহা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ছয়লাভ হয়ে গেছে।এছাড়াও পতিত স্বৈরাচারী সরকারের নেতাকর্মীদের সাথে কাঁদে কাঁদ মিলিয়ে অপরাধের স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছেন কাইল্লা নবী বর্তমানে বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে তাল মিলিয়ে চলার চেষ্টা করছেন তিনি। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সুজনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি ইস্টার্ন হাউজিং এর এনলিস্টেড এজেন্ট আমি কারো টাকা মেরে খাইনি।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মো: মনিরুজ্জামান (মনির)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক রেলওয়ে বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত