প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফর উপলক্ষ্যে নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে নন্দনকানন বৌদ্ধ মন্দিরের সামনের সড়কে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জিত গোলচত্বর। পদ্মফুলের নকশা, বর্ণিল আলোকসজ্জা ও নান্দনিক স্থাপত্যে সাজানো এই গোলচত্বর নগরীর সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তির প্রতীক হিসেবে নজর কেড়েছে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে নির্মিত গোলচত্বরটিতে পদ্মফুলের নান্দনিক নকশা বিশেষভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
আলোকসজ্জায় রাতে গোল চত্বরটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও আধুনিকায়নের ধারাবাহিকতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৌদ্ধ দর্শনের মৈত্রী, করুণা, অহিংসা ও শান্তির আদর্শের সঙ্গে পদ্মফুলের প্রতীকী সৌন্দর্য মিলিয়ে গোলচত্বরটির নকশা করা হয়েছে। ফলে স্থাপনাটি নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি, চট্টগ্রামের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের ঐতিহ্যকেও তুলে ধরছে।
গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোকে নান্দনিকভাবে সাজানোর পাশাপাশি, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক নগর গড়ে তোলার প্রচেষ্টা প্রতিফলিত হয়েছে। নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনে এ ধরনের উদ্যোগ চট্টগ্রামকে আরও আকর্ষণীয় ও বাসযোগ্য করে তুলতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ধর্মীয় সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ চট্টগ্রামকে আরও সুন্দর ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন নগরবাসী।
সাংঘিক বিহারের রূপকার অধ্যাপক ড. জিনবোধি মহাথেরের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন ছিল বৌদ্ধ বিহারের সামনের গোলচত্বরে পদ্মফুল স্থাপন। একই দাবি ছিল সাধারণ বৌদ্ধ নর-নারীরও। অবশেষে, চসিকের উদ্যোগে সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়িত হওয়ায় চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের পক্ষ থেকে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।
এছাড়াও চট্টগ্রামের বিভিন্ন গোল চত্বর গুলো নতুন রূপে সাজানো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফর উপলক্ষ্যে নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে নন্দনকানন বৌদ্ধ মন্দিরের সামনের সড়কে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জিত গোলচত্বর। পদ্মফুলের নকশা, বর্ণিল আলোকসজ্জা ও নান্দনিক স্থাপত্যে সাজানো এই গোলচত্বর নগরীর সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তির প্রতীক হিসেবে নজর কেড়েছে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে নির্মিত গোলচত্বরটিতে পদ্মফুলের নান্দনিক নকশা বিশেষভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
আলোকসজ্জায় রাতে গোল চত্বরটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও আধুনিকায়নের ধারাবাহিকতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৌদ্ধ দর্শনের মৈত্রী, করুণা, অহিংসা ও শান্তির আদর্শের সঙ্গে পদ্মফুলের প্রতীকী সৌন্দর্য মিলিয়ে গোলচত্বরটির নকশা করা হয়েছে। ফলে স্থাপনাটি নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি, চট্টগ্রামের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের ঐতিহ্যকেও তুলে ধরছে।
গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোকে নান্দনিকভাবে সাজানোর পাশাপাশি, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক নগর গড়ে তোলার প্রচেষ্টা প্রতিফলিত হয়েছে। নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনে এ ধরনের উদ্যোগ চট্টগ্রামকে আরও আকর্ষণীয় ও বাসযোগ্য করে তুলতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ধর্মীয় সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ চট্টগ্রামকে আরও সুন্দর ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন নগরবাসী।
সাংঘিক বিহারের রূপকার অধ্যাপক ড. জিনবোধি মহাথেরের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন ছিল বৌদ্ধ বিহারের সামনের গোলচত্বরে পদ্মফুল স্থাপন। একই দাবি ছিল সাধারণ বৌদ্ধ নর-নারীরও। অবশেষে, চসিকের উদ্যোগে সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়িত হওয়ায় চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের পক্ষ থেকে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।
এছাড়াও চট্টগ্রামের বিভিন্ন গোল চত্বর গুলো নতুন রূপে সাজানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন