ঢাকা   বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক রেলওয়ে বার্তা

৩ ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ল ট্রেন, চট্টগ্রাম স্টেশনে যাত্রীদের বিক্ষোভ



৩ ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ল ট্রেন, চট্টগ্রাম স্টেশনে যাত্রীদের বিক্ষোভ

নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন ঘণ্টা পর চট্টগ্রাম রেলস্টেশন ছেড়ে গেছে সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস। ট্রেন ছাড়তে দেরি হওয়ায় বুধবার সকালে স্টেশনমাস্টারের কক্ষের সামনে বিক্ষোভ করেছেন ক্ষুব্ধ যাত্রীরা। সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ট্রেনটি ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ৩ ঘণ্টা পিছিয়ে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে সেটি সিলেটের উদ্দেশে যাত্রা করে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম বটতলী রেলস্টেশনে এই ঘটনা ঘটে। যাত্রীদের অভিযোগ, পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন খুলে অন্য একটি ট্রেনে যুক্ত করা হয়েছিল। ফলে নির্ধারিত সময়ে ট্রেনটি ছেড়ে যেতে পারেনি এবং শত শত যাত্রী প্ল্যাটফর্মে আটকে পড়েন। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ৭০ থেকে ৮০ জন যাত্রী স্টেশনমাস্টারের কক্ষের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এছাড়া প্ল্যাটফর্মেও যাত্রীদের ক্ষোভ করতে দেখা যায়। এ ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, যাত্রীরা স্লোগান দিতে দিতে প্ল্যাটফর্ম থেকে স্টেশন ম্যানেজারের কক্ষের দিকে যান। সেখানে স্টেশন ম্যানেজারকে না পেয়ে বিক্ষোভ করে যাত্রীরা। এ সময় ‘রেলের যাত্রী ভোগান্তি, চলবে না চলবে না’ বলে স্লোগান দিতে দেখা যায় বিক্ষোভকারীদের।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ইঞ্জিন-সংকটের কারণে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস প্রায়ই নির্ধারিত সময়ে চলাচল করতে পারছে না। সিলেট থেকে চট্টগ্রামে আসা ট্রেনের ইঞ্জিন প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ ও কাজ শেষে পুনরায় সিলেটগামী ট্রেনে যুক্ত করতে হয়। এই প্রক্রিয়ার কারণেই ট্রেনটি ছাড়তে প্রায় নিয়মিত বিলম্ব হচ্ছে।

চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের মাস্টার আবু জাফর মজুমদার জানান, সিলেট থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনের চট্টগ্রামে পৌঁছানোর নির্ধারিত সময় ছিল ভোর ৫টা ৩৫ মিনিট। তবে ট্রেনটি প্রায় দুই ঘণ্টা দেরিতে স্টেশনে পৌঁছায়। ফলে সেই ইঞ্জিন প্রস্তুত করে চট্টগ্রাম থেকে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ছাড়তেও বিলম্ব হয়েছে। ইঞ্জিন-সংকটের এই বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক রেলওয়ে বার্তা

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬


৩ ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ল ট্রেন, চট্টগ্রাম স্টেশনে যাত্রীদের বিক্ষোভ

প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন ঘণ্টা পর চট্টগ্রাম রেলস্টেশন ছেড়ে গেছে সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস। ট্রেন ছাড়তে দেরি হওয়ায় বুধবার সকালে স্টেশনমাস্টারের কক্ষের সামনে বিক্ষোভ করেছেন ক্ষুব্ধ যাত্রীরা। সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ট্রেনটি ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ৩ ঘণ্টা পিছিয়ে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে সেটি সিলেটের উদ্দেশে যাত্রা করে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম বটতলী রেলস্টেশনে এই ঘটনা ঘটে। যাত্রীদের অভিযোগ, পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন খুলে অন্য একটি ট্রেনে যুক্ত করা হয়েছিল। ফলে নির্ধারিত সময়ে ট্রেনটি ছেড়ে যেতে পারেনি এবং শত শত যাত্রী প্ল্যাটফর্মে আটকে পড়েন। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ৭০ থেকে ৮০ জন যাত্রী স্টেশনমাস্টারের কক্ষের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এছাড়া প্ল্যাটফর্মেও যাত্রীদের ক্ষোভ করতে দেখা যায়। এ ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, যাত্রীরা স্লোগান দিতে দিতে প্ল্যাটফর্ম থেকে স্টেশন ম্যানেজারের কক্ষের দিকে যান। সেখানে স্টেশন ম্যানেজারকে না পেয়ে বিক্ষোভ করে যাত্রীরা। এ সময় ‘রেলের যাত্রী ভোগান্তি, চলবে না চলবে না’ বলে স্লোগান দিতে দেখা যায় বিক্ষোভকারীদের।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ইঞ্জিন-সংকটের কারণে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস প্রায়ই নির্ধারিত সময়ে চলাচল করতে পারছে না। সিলেট থেকে চট্টগ্রামে আসা ট্রেনের ইঞ্জিন প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ ও কাজ শেষে পুনরায় সিলেটগামী ট্রেনে যুক্ত করতে হয়। এই প্রক্রিয়ার কারণেই ট্রেনটি ছাড়তে প্রায় নিয়মিত বিলম্ব হচ্ছে।

চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের মাস্টার আবু জাফর মজুমদার জানান, সিলেট থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনের চট্টগ্রামে পৌঁছানোর নির্ধারিত সময় ছিল ভোর ৫টা ৩৫ মিনিট। তবে ট্রেনটি প্রায় দুই ঘণ্টা দেরিতে স্টেশনে পৌঁছায়। ফলে সেই ইঞ্জিন প্রস্তুত করে চট্টগ্রাম থেকে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ছাড়তেও বিলম্ব হয়েছে। ইঞ্জিন-সংকটের এই বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।


দৈনিক রেলওয়ে বার্তা

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মো: মনিরুজ্জামান (মনির) 

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক রেলওয়ে বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত