লালমনিরহাট সদরের সাপটানা এলাকার নিউ অতিথি ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোমে সিজার অপারেশনের কয়েক ঘণ্টা পর এক প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় ক্লিনিকটি সিলগালা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে প্রসূতির মৃত্যুর তথ্য পেয়ে লালমনিরহাট সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল হাকিম সেই ক্লিনিকে অভিযান পরিচালনা করেন।
এসময় ক্লিনিকের মালিক পক্ষের কাউকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত না পেয়ে ফোন ও বিভিন্ন মাধ্যমে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। তবে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে সিভিল সার্জনের নির্দেশে সদর লালমনিরহাটের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নওশাদ আলম ও সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলামের উপস্থিতিতে নিউ অতিথি ক্লিনিক সিলগালা করে দেওয়া হয়।
এর আগে সোমবার সকালে শহরের সাপটানা এলাকার ওই ক্লিনিকে প্রসূতির মৃত্যুর পর তাকে রংপুরে নেওয়ার কথা বলা হয় বলে অভিযোগ নিহতের স্বজনদের।
চিকিৎসায় অবহেলা, দায়িত্বহীনতা ও সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন নিহতের পরিবার। তাদের অভিযোগ, ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে অস্ত্রপাচার করা হয়। তবে পরবর্তী সময়ে প্রসূতির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা মেলেনি।
নিহত আদরী বেগম লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের মহিষাসুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি তিন সন্তানের জননী। সর্বশেষ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিনি একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন।
স্বজনদের দেওয়া তথ্যমতে, গত শনিবার প্রসবব্যথা শুরু হলে আদরী বেগমকে প্রথমে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাত ৪টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে রংপুর অথবা অন্য কোনো ক্লিনিকে নিয়ে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দেয়। এ সময় বিজলী নামের এক নারী তাকে শহরের নিউ অতিথি ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোমে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে ওই ক্লিনিকে তাকে ভর্তি করা হয়।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
লালমনিরহাট সদরের সাপটানা এলাকার নিউ অতিথি ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোমে সিজার অপারেশনের কয়েক ঘণ্টা পর এক প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় ক্লিনিকটি সিলগালা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে প্রসূতির মৃত্যুর তথ্য পেয়ে লালমনিরহাট সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল হাকিম সেই ক্লিনিকে অভিযান পরিচালনা করেন।
এসময় ক্লিনিকের মালিক পক্ষের কাউকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত না পেয়ে ফোন ও বিভিন্ন মাধ্যমে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। তবে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে সিভিল সার্জনের নির্দেশে সদর লালমনিরহাটের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নওশাদ আলম ও সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলামের উপস্থিতিতে নিউ অতিথি ক্লিনিক সিলগালা করে দেওয়া হয়।
এর আগে সোমবার সকালে শহরের সাপটানা এলাকার ওই ক্লিনিকে প্রসূতির মৃত্যুর পর তাকে রংপুরে নেওয়ার কথা বলা হয় বলে অভিযোগ নিহতের স্বজনদের।
চিকিৎসায় অবহেলা, দায়িত্বহীনতা ও সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন নিহতের পরিবার। তাদের অভিযোগ, ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে অস্ত্রপাচার করা হয়। তবে পরবর্তী সময়ে প্রসূতির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা মেলেনি।
নিহত আদরী বেগম লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের মহিষাসুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি তিন সন্তানের জননী। সর্বশেষ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিনি একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন।
স্বজনদের দেওয়া তথ্যমতে, গত শনিবার প্রসবব্যথা শুরু হলে আদরী বেগমকে প্রথমে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাত ৪টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে রংপুর অথবা অন্য কোনো ক্লিনিকে নিয়ে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দেয়। এ সময় বিজলী নামের এক নারী তাকে শহরের নিউ অতিথি ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোমে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে ওই ক্লিনিকে তাকে ভর্তি করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন