ঢাকা   শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক রেলওয়ে বার্তা

তৃতীয় টেস্টেই প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পেয়ে গেলেন তাওহিদ হৃদয়



তৃতীয় টেস্টেই প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পেয়ে গেলেন তাওহিদ হৃদয়

অভিষেকটা নিশ্চয়ই ভুলে যেতে চাইবেন তাওহিদ হৃদয়। জিম্বাবুয়ে সফরে ম্যাচটা হেরেছিল বাংলাদেশ, নিজেও ভালো করতে পারেননি। তবে এরপর নিজে সাদা পোশাকে অবিস্মরণীয় কীর্তি গড়েছেন জিম্বাবুয়ের পড়শি দক্ষিণ আফ্রিকায়। সে সূত্রে আবারও দলে ডাক পাওয়া। সেই তাওহিদ হৃদয় এবার সেঞ্চুরির দেখা পেয়ে গেলেন। উইন্ডিজের বিপক্ষে দল যখন ধুঁকছে, তখন নিঃসঙ্গ শেরপা হয়ে লড়লেন একাই।

সিলেটের উইকেটটা কঠিন হয়নি এখনও, তবে পরিস্থিতিটা এরপরও কঠিন হয়ে পড়েছে সঙ্গীদের আসা যাওয়ার মিছিলে। একের পর এক ব্যাটার আসছেন, আর যাচ্ছেন। দিনের শুরু হয় মুশফিকুর রহিমের উইকেট দিয়ে, এরপর লিটন দাসও মুশফিকের মতোই ক্যাচিং প্র্যাকটিস করিয়ে ফেরেন সাজঘরে।

১৩৮ রানে চলে গিয়েছিল ৫ উইকেট। মেহেদী হাসান মিরাজের এমন পরিস্থিতিতে অনেক ভালো ইনিংস আছে, তবে আজ তার পুনরাবৃত্তি ঘটল না, তিনি রস্টন চেসের শিকার হয়ে ফিরলেন ১৬ রান করে। হাসান মাহমুদও ফিরলেন শিগগিরই।

ওপাশে যখন এভাবে একের পর এক আসা যাওয়া চলছে সঙ্গীদের, এপাশে তাওহিদ ছিলেন বেশ সাবলীল। সেশনের শেষ দিকে বেশ দায়িত্বশীলতার পরিচয়ও দিয়েছেন। সঙ্গী তাইজুল বহুবার সিঙ্গেলের জন্য ডাকলেও স্ট্রাইক ধরে রেখেছেন, স্বীকৃত ব্যাটার হিসেবে যা করা প্রয়োজন, করেছেন সেটাই। এপাশে সহজে রান আসছিল। সে সুযোগগুলো লুফে নিয়ে চলে গেছেন তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে। সেঞ্চুরি!

তার সেঞ্চুরির পরপরই অবশ্য সেশন শেষের ঘোষণা দিয়েছেন আম্পায়ার। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ তুলেছে ২০৫ রান, উইন্ডিজের ছুঁড়ে দেওয়া ৩৫৬ থেকে এখনও আছে ১৫০ রানের দূরত্বে।

 

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক রেলওয়ে বার্তা

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬


তৃতীয় টেস্টেই প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পেয়ে গেলেন তাওহিদ হৃদয়

প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

অভিষেকটা নিশ্চয়ই ভুলে যেতে চাইবেন তাওহিদ হৃদয়। জিম্বাবুয়ে সফরে ম্যাচটা হেরেছিল বাংলাদেশ, নিজেও ভালো করতে পারেননি। তবে এরপর নিজে সাদা পোশাকে অবিস্মরণীয় কীর্তি গড়েছেন জিম্বাবুয়ের পড়শি দক্ষিণ আফ্রিকায়। সে সূত্রে আবারও দলে ডাক পাওয়া। সেই তাওহিদ হৃদয় এবার সেঞ্চুরির দেখা পেয়ে গেলেন। উইন্ডিজের বিপক্ষে দল যখন ধুঁকছে, তখন নিঃসঙ্গ শেরপা হয়ে লড়লেন একাই।

সিলেটের উইকেটটা কঠিন হয়নি এখনও, তবে পরিস্থিতিটা এরপরও কঠিন হয়ে পড়েছে সঙ্গীদের আসা যাওয়ার মিছিলে। একের পর এক ব্যাটার আসছেন, আর যাচ্ছেন। দিনের শুরু হয় মুশফিকুর রহিমের উইকেট দিয়ে, এরপর লিটন দাসও মুশফিকের মতোই ক্যাচিং প্র্যাকটিস করিয়ে ফেরেন সাজঘরে।

১৩৮ রানে চলে গিয়েছিল ৫ উইকেট। মেহেদী হাসান মিরাজের এমন পরিস্থিতিতে অনেক ভালো ইনিংস আছে, তবে আজ তার পুনরাবৃত্তি ঘটল না, তিনি রস্টন চেসের শিকার হয়ে ফিরলেন ১৬ রান করে। হাসান মাহমুদও ফিরলেন শিগগিরই।

ওপাশে যখন এভাবে একের পর এক আসা যাওয়া চলছে সঙ্গীদের, এপাশে তাওহিদ ছিলেন বেশ সাবলীল। সেশনের শেষ দিকে বেশ দায়িত্বশীলতার পরিচয়ও দিয়েছেন। সঙ্গী তাইজুল বহুবার সিঙ্গেলের জন্য ডাকলেও স্ট্রাইক ধরে রেখেছেন, স্বীকৃত ব্যাটার হিসেবে যা করা প্রয়োজন, করেছেন সেটাই। এপাশে সহজে রান আসছিল। সে সুযোগগুলো লুফে নিয়ে চলে গেছেন তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে। সেঞ্চুরি!

তার সেঞ্চুরির পরপরই অবশ্য সেশন শেষের ঘোষণা দিয়েছেন আম্পায়ার। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ তুলেছে ২০৫ রান, উইন্ডিজের ছুঁড়ে দেওয়া ৩৫৬ থেকে এখনও আছে ১৫০ রানের দূরত্বে।

 


দৈনিক রেলওয়ে বার্তা

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মো: মনিরুজ্জামান (মনির) 

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক রেলওয়ে বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত